খালেদা জিয়ার মুক্তিতে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত আমেরিকার

খালেদা জিয়ার মুক্তির সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত আমেরিকার

খালেদা জিয়ার মুক্তির সিদ্ধান্তে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত আমেরিকার

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার কারাবাসকে ‘গৃহবন্দি’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর মুক্তিকে স্বাগত জানাল আমেরিকা। 

বুধবার আমেরিকার বিদেশ দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর তরফে এক টুইট বার্তায় এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়। ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যালিস জি ওয়েলস লিখেছেন, ‌’আমরা মানবিক কারণে বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গৃহবন্দিত্ব ছমাসের জন্য স্থগিতের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। কোভিড-১৯ (Covid-19) থেকে তৈরি হওয়া সংকটে এমন নেতৃত্ব প্রয়োজন যা সহমর্মিতা ও জাতীয় ঐক্যকে অগ্রাধিকার দেয়। এদিকে মুক্তি পেয়েই প্রথম প্রতিক্রিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া দেশবাসীকে এই পরিস্থিতিতে সাবধানে থাকতে বলেছেন।
 
বুধবার সন্ধেয় খালেদা জিয়ার গুলশান-দুই নম্বর এলাকার ৭৯ নম্বর রোডের বাসভবন ফিরোজায় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিএনপির শীর্ষ সাত নেতা। তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময়ই দেশবাসীর উদ্দেশে এই বার্তা দেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। সন্ধেয় দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে যান। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যেহেতু করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ভয় রয়েছে তাই তাঁর কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কেউ যেন তাঁর সঙ্গে দেখা না করতে পারে সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিষয়ে কোনও কথা হয়নি। আমাদের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ ম্যাডামকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করে শুকরিয়া আদায় করেছেন।’
 
দুটি শর্তে সাজা ছমাসের জন্য স্থগিত করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া যদি রাজনীতি করেন। তাহলে শর্ত ভঙ্গ হবে এবং তা বাতিল হয়ে তাঁকে আবারও কারাগারে যেতে হবে। সাংবাদিকদের এই ধরনের প্রশ্নের উত্তরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘এ প্রসঙ্গে আমরা এখন যাব না। বিষয়টি আমাদের আইনজীবীরা দেখবেন। এটা নিয়ে আমরা পরে আলোচনায় বসবো।’ 

পাঠকের মন্তব্য