রাণীশংকৈল হাসপাতালে আছে ডাক্তার, থাকছে না রোগী

রাণীশংকৈল হাসপাতালে আছে ডাক্তার, থাকছে না রোগী !

রাণীশংকৈল হাসপাতালে আছে ডাক্তার, থাকছে না রোগী !

বর্তমানে ডাক্তার হাসপাতালে আর রোগীরা থাকছেন বাসায়। দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস আতঙ্ক! করোনায় আতঙ্কিত সারা বিশ্ব। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল হাসপাতালে প্রতিদিনের মতো চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগীর নেই কোন ভিড়। অথচ কিছুদিন আগেও রোগীদের ভিড়ে হাসপাতাল ছিল মুখোরিত। পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট্য এ হাসপাতালে রোগীদের জন্য থাকার ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপট একবোরেই ভিন্ন। ২৬ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিন এ হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে ফাঁকা বেড, নেই কোন রোগী। কর্মরত র্নাস ও ডাক্তাররা বহির্বিভাগে নিজেদের চেম্বার ছেড়ে হাতে গ্লোবস পরে ঘুরছেন।কেউ মোবাইরে সময় কাটাচ্ছেন। দাঁড়িয়ে থাকা একজন ডাক্তার বলেন, রোগীদের খোঁজ নিচ্ছেন। 

উপজেলা হাসপাতালের মেইন গেটে ডিজিটাল সাইনবোর্ড ঝুলানো। তাতে লেখা আছে (জরুরী বিজ্ঞপ্তীঃ সাধারণ হাচি, সর্দি, জ্বর হলে হাসপাতালে আসার প্রয়োজন নাই। ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী ,উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা,মোবাইলঃ ০১৭১২৯৩১৫৭৯। ডাঃ মোঃ ফিরোজ আলম , আবাসিক মেডিকেল অফিসার, মোবাইলঃ ০১৭২৭৯৮৯২৮৮। ডাঃ মোঃ মোরশেদুল আলম খান, মেডিকেল অফিসার, ডিজিজ কন্ট্রোল, মোবাইলঃ ০১৩০৯০৩৩৬১৮ রাণীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও। আদেশক্রমে - হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।) এ বিষয়ে আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ ফিরোজ আলম জানান,‘রোগী সংখ্যা কম। হাসপাতালে মারামারি রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছে। 

এদিকে টিএইচএ ডাঃ মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আমরা একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। মোবাইলে যোগাযোগ করলেই হবে। এ উপজেলায় কোরনা ভাইরাসের কোন রোগী নাই।তবে আমরা উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে বিদেশ ফেরতদের বাড়িতে লাল ঝান্ডা দিয়ে চিহ্নিত করে রেখেছি। তবে আমাদের হাসপাতালে অন্যান্য রোগীও একেবারে নাই ‘দশ’ থেকে ‘বারো’ জন হতে পারে, আসলে রোগীরাও আতঙ্কে আছে।

পাঠকের মন্তব্য