দুই হাজারের বেশী কারখানায় বকেয়া পরিশোধ : বিজিএমইএ

দুই হাজারের বেশী কারখানায় বকেয়া পরিশোধ : বিজিএমইএ

দুই হাজারের বেশী কারখানায় বকেয়া পরিশোধ : বিজিএমইএ

তৈরি পোশাক খাতের কারখানাগুলো আজ রবিবার পর্যন্ত মার্চ মাসের বকেয়া মজুরি হিসেবে মোট ৭৬১ কোটি টাকা মজুরি পরিশোধ করেছে বলে জানিয়েছে এই খাতের শীর্ষ সংগঠন তৈরি পোশাক প্রস্তত ও রপ্তানিকারকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ। এই টাকা পরিশোধ করেছে মোট কারখানার সংখ্যা ২ হাজার ২৭৪টি।

রবিবার বিজিএমইএ এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য জানান। এতে আরো বলা হয়, বাকি মজুরি আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যেদেওয়া হবে। এ ছাড়া রবিবার যৗথ ঘোষণায় বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ'র সদস্য কারখানার মালিকদের মার্চের মজুরি পরিশোধ করার জন্য জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ মোট পোশাক কারখানা প্রায় চার হাজারের বেশী।

ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সারা বিশ্ব এক কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যস্ত ও সংগ্রাম করছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে শ্রমিক-কর্মচারীরা তাদের বেতন-ভাতা নিয়ে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এই অবস্থায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের অনুরোধ করা হয় তারা যেন শ্রমিকের বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে সহজ শর্তে সহযোগিতা করেন। এ ছাড়া যেসব স্থানে লকডাউন সেখানে শ্রমিকদের মজুরি টাকাটা দেওয়ার জন্য ২/৩ দিন কয়েক ঘণ্টা খোলা রাখে।

পোশাক কারখানার মালিকদের উদেশ্য বলা হয়, যারা এখনও মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করেনি তারা যেন যেকোনো পরিস্থিতিতে পরিশোধ করার ব্যবস্থা করেন। একসাথে সমবেত না করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রুপে ভাগ করে এবং সময় ভাগ করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখ বেতন পরিশোধ করেন। আর এখনও যারা  শ্রমিকদের ব্যাংক হিসেব বা মোবাইল ফিন্যান্স সাবর্ভস (এমএফএস) করতে পারেননি অতি দ্রুত তা  করে নেন।

শ্রমিক স্বার্থ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে আরো বলা হয়, এমএফএস প্রতিষ্ঠান সমূহ ‘নগদ’ ‘রকেট’ ‘বিকাশ’ একাউন্ট করার জন্য সর্বপ্রকার সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছে। প্রয়োজনে বিজিএমইএ বিকেএমইএ’র সহযোগিতা নিন। মনে রাখবেন ‘শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, শিল্প থাকলে শ্রমিক বাঁচবে।’ আমরা জানি আপনারা শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষনে সচেষ্ট আছেন, তারপরও বলবো বিষয়টি অগ্রাধিকার দিন।

এতে আরো বলা হয়, শ্রমিকদের মার্চ মাসের বেতন পরিশোধ করা হলে সরকারের দেওয়া ঋণ সুবিধা পেতে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা পাবেন।

পাঠকের মন্তব্য