৫০০০ পরিবারের পাশে যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ

যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ

যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ

পৃথিবীজুড়েই এখন আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। বাংলাদেশও আজ করোনাভাইরাসের কড়াল থাবায় আক্রান্ত। সারাদেশই এখন লকডাউনের আওতায়। সরকার, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছেন কেউ কেউ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, কুয়াকাটা এলাকার অসহায় ও কর্মহীন, নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের ৫০০০(পাঁচ হাজার) পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী দিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদ্য বিদায়ী সহ-সম্পাদক এ্যাড. শামীম আল সাইফুল সোহাগ।

সমগ্র বাংলাদেশকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় এবং জনসাধারণের একে অপরের সঙ্গে মেলামেশা নিষিদ্ধ করা ছাড়া এই সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব না হওয়ায় পুরো দেশকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সেই সকল কর্মহীন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদ্য বিদায়ী সহ-সম্পাদক এ্যাডভোকেট শামীম আল সাইফুল সোহাগ।

কুয়াকাটা সমুদ্র উপকুলীয় এলাকা সহ কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার চরাঞ্চলের কর্মহীন দরিদ্র মানুষের কাছে গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন এই যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) নবম দিনে কুয়াকাটার মাইটভাঙ্গা, লক্ষী বাজার ও চাপলী বাজারে অসহায় ও কর্মহীন এবং দরিদ্র মানুষদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।
  
টানা নয় দিন তিনি কুয়াকাটা মহিপুর, বাবলা তলা বাজার, বালিয়াতলী, নীলগঞ্জ, টিয়াখালী, ধানখালী, ধুলাসার, চম্পাপুর, পায়রা বন্দর ও রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নগুলিতে ঘুরে ঘুরে ত্রান সামগ্রী নিয়ে নিজ হাতে তুলে দিচ্ছেন কর্মহীন, দূস্থ্য ও অসহায় মানুষদের।
 
এই যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল এর আহবানে করোনাভাইরাসে উদ্ভট পরিস্থিতে কর্মহীন সাধারন মানুষের কাছে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করছেন। রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা মেনে করোনা ভাইরাসের এই মহামারি থেকে বাঁচতে ধৈর্য্য সহকারে ঘরে থাকার আহবান জানান তিনি।

যুবলীগ নেতা শামীম আল সাইফুল সোহাগ আরো বলেন, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও মহিপুর থানাধীন সমুদ্র এলাকার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ায় খাদ্য সংকটের মধ্যে দিন পার করছে। তার সাধ্যের মধ্যে এসময়ে কর্মহীন এসব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন তিনি। সমাজের বিত্তবানদেরও কর্মহীন ও দরিদ্র মানুষের পাশে এসে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান এই যুবলীগ নেতা।

উল্লেখ্য যে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দিকনির্দেশনায় গত ৬.৪.২০২০ হতে ১৪.৪.২০২০ টানা নয় দিন সংসদীয় আসন -১১ (কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী, কুয়াকাটা) খাদ্য সামগ্রী বিতরণ শেষে আবারও ঢাকায় ফিরে আসেন তিনি । 

পাঠকের মন্তব্য