করোনা আক্রান্ত হলেও মাঠ ছাড়েননি গণমাধ্যমকর্মীরা

করোনা আক্রান্ত হলেও মাঠ ছাড়েননি গণমাধ্যমকর্মীরা

করোনা আক্রান্ত হলেও মাঠ ছাড়েননি গণমাধ্যমকর্মীরা

করোনাভাইরাস সংক্রমণের মধ্যে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কমপক্ষে ১৯ গণমাধ্যমকর্মী সংক্রমিত হয়েছেন বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
এ ভাইরাসের কারণে হোম কোয়ারেন্টিনে যেতে হয়েছে প্রায় ২শ কর্মীকে। এত ঝুঁকির মধ্যেও মাঠ ছেড়ে যাননি গণমাধ্যমকর্মীরা। এই মহামারির মধ্যে প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতেও এসেছে নানা পরিবর্তন।

গণমাধ্যমের কর্তাব্যক্তিরা বলছেন, কর্মীদের সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি বিকল্পভাবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার পরিকল্পনা করতে হবে এখনই।

অন্যান্য জরুরি সেবার মতোই তথ্যসেবা দিয়ে আসা গণমাধ্যমে কোনো ছুটি নেই। সংক্রামক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিয়েই দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে সংবাদকর্মীদের। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ নানা সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়েও রেহাই পাচ্ছেন না তারা। 

যমুনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘আমি কঙ্কটকালিন সময়ে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে করনায় আক্রান্ত হয়ার পর আলহামদুলিল্লাহ আবার সুস্থ হয়েছি। এই সঙ্কটকালিন সময়ে গণমাধ্যমকর্মীদের খবর সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।’

দীপ্ত টেলিভিশনের সহকারি প্রযোজক পারভীন লিসা বলেন, ‘আমি আইসোলেশনেই আছি। আমরা সব গণমাধ্যমকর্মী যেভাবে দেশের জন্য কাজ করেছি আবার সেভাবে কাজ করতে চাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ভালো থাকবেন, সচেতন থাকবেন।’ 

ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান নির্বহী ও প্রধান সম্পাদক এম শামসুর রহমান বলেন, ‘যাদের পক্ষে বাসা থেকে কাজ করা সম্ভব তাদের একেবারেই অফিসে আনছিনা। যাদেরকে না হলেই নয় তাদের অর্ধেক অর্ধেক করে সাতদিন রোটা করে কাজ করাচ্ছি। সিস্টেমটাই চেঞ্জ হয়ে গেছে। ক্যামেরা না পাঠিয়ে স্কাইপ বা জুমের মাধ্যমে ইন্টারভিউ করছি।’

প্রথম আলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজ্জাদ শরীফ মুঠোফোনে বলেন, ‘এটা ধরা পড়লো গত পরশুদিন রাতে, কাললে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা অলমোষ্ট শতভাগ বাড়ি থেকে করা শুরু করবো আজকে থেকে।’

ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহাফুজ আনাম সম্পাদক মুঠোফোনে বলেন, ‘গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর তাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ। এখন এ ধরনের প্রযুক্তি আমাদের সামনে আছে যে ওয়ার্ক ফর্ম হোম অর্থাৎ অফিসে না এসে বাড়ি থেকে কাজ করা। যথা সম্ভব বাহিরে না গিয়ে টেলিফোন-ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ করে দেয়া উচিৎ যত শিগগিরি সম্ভব।’

পাঠকের মন্তব্য