করোনার শেষাংশ নাকি মহাবিপর্যয় ? 

করোনার শেষাংশ নাকি মহাবিপর্যয় ? 

করোনার শেষাংশ নাকি মহাবিপর্যয় ? 

মো: আ : মতিন ভূঁইয়া : শেষ ভালো যার সব ভালো তার। এই কথাটি আমরা সবাই জানি, সরকার জানে, রাষ্ট্রও জানে। সংবাদ মাধ্যমে আসতেছে বাংলাদেশে করোনা বিস্তার শেষ অংশে রয়েছে। এ অবস্থায় সব খুলে দেওয়া হচ্ছে। এখন খুলতে হবে কারণ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে হবে। এই দুই মাসে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারত। কিন্তু হয়নি। কেন হয়নি ? সব কথার মূল কথা হল আমরা সচেতন না তাই সাভাবিক হয়নি। সরকার লকডাউন করল, যারা সচেতন তারা খুশি হল কিন্তু সে সংখ্যাটি কম। সরকার লাখ লাখ কোটি টাকা ভর্তুকি দিল, দেশের মানুষের সকল দিকে খতি হল, অভাব দেখা দিল। তবুও সরকার আমাদের বাঁচাতে চেয়েছিল। 

কিন্তু আমরা লকডাউন মানলাম না। এলাম, দেখলাম, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলাম এমন একটা ভাব। যদিও এর জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ অনেকটাই দায়ী। এখন সব খুলে দিল। রাষ্ট্রের কাজ হচ্ছে দেশের মানুষকে খুশি রাখা। যেহেতু আমরা লকডাউন মানলাম না সুতরাং রাষ্ট্র সব খুলে দিল। আমাদেরকে খুশি করল। আমরা এখন ঘুরে বেরাবো, ইদ শপিং করব, আনন্দ হবে। যারা সচেতন তারা মন খারাপ করবে। কিন্তু সেই সংখ্যা কম। আর রাষ্ট্র সে কাজটাই করেছে। আমাদের এখন হায় হুতাশ করে লাভ নেই। এখন আমরা সুস্থ থাকব না আক্রান্ত হব এটা আমাদের উপর নির্ভর করবে। 

এই অসচেতনতার ভীরে অনেক সচেতন আক্রান্ত হতে পারে। এই অবস্থা থেকে যদি করোনা ভাইরাস সাভাবিক নিয়ন্ত্রণে চলে আসে তাহলে অবশ্যই সরকার প্রশংসা পাবে। কিন্তু যদি নিয়ন্ত্রণে না আসে তাহলে দেখা দিবে মহা বিপর্যয়। তখন রাষ্ট্র আবার লকডাউন করবে। বর্তমানের চেয়ে ৩ গুন বেশি খতি হবে। আর এটা হবে শুধুমাত্র আমাদের অসচেতনতার জন্য। রাষ্ট্রের কাজ রাষ্ট্র করুক আর আমাদের কাজ আমরা করি। আসলে বর্তমানে রাষ্ট্র বিশাল একটা ঝুঁকি নিয়েছ। তবে আমরা অবশ্যই সবাই চাই সব কিছু যেন সাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। 

লেখক : মো: আ : মতিন ভূঁইয়া 
সহকারী অধ্যাপক, আইন বিভাগ 
প্রাইমএশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়।

পাঠকের মন্তব্য