প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি, বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে 

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি, বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে 

প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতি, বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা রিমান্ডে 

সদ্য বহিষ্কৃত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুমিনসহ তিনজনকে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত বদলে দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৮ মে) তরিকুল ইসলাম মুমিনসহ তিনজনকে এই ঘটনায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

বুধবার (৬ মে) রাতে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের সহায়তায় গাজীপুর রোডের বাড়ি থেকে তরিকুল ইসলাম মুমিনকে আটক করে রাজধানীর তেজগাঁও থানা পুলিশ। পরে সড়কপথে তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়।

পুলিশের তেজগাঁও জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার রুবাইয়াত জামান বলেন, জালিয়াতির এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে ৫ মে তরিকুল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা ও ফরহাদ নামে তিনজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় তরিকুলকে ভোলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রফিকুল আলমের দায়ের করা মামলায় বলা হয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষ পদে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়।

এই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করার পর তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নথিটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে এলে তিনি এম আবদুস সালাম আজাদ অনুমোদন পাননি বলে ফোনে তরিকুলকে জানিয়ে দেন।

এরপরেই তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কৌশলে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা।

পাঠকের মন্তব্য