গৌরনদীতে ৮০ কেজি চাল পেলেও জেলেরা পেলেন ২৩ কেজি চা

গৌরনদীতে ৮০ কেজি চাল পেলেও জেলেরা পেলেন ২৩ কেজি চাল

গৌরনদীতে ৮০ কেজি চাল পেলেও জেলেরা পেলেন ২৩ কেজি চাল

দলীয় ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করতে বিএনপি নেতার নয়া কৌশল

দলীয় ভাব মুর্তি নষ্ট করার জন্য জেলেদের চাল আত্মসাত করে তার দায়ভার আওয়ামীলীগ সরকারের উপর চাপানোর চেষ্টা চালাচ্ছে এক ইউপি সদস্য। তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের বিএনপি সহ-সভাপতি ও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী হাওলাদার।

গত মঙ্গলবার ইউনিয়ন পরিষদে বসে ৮০ কেজি চাল বিতরণের মাষ্টাররোলে ১১১ জন জেলের স্বাক্ষর নিয়ে চাল বিতরণ করা হয়। এদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী হাওলাদারের ওয়ার্ডে কার্ডধারী ৮ (আট) জেলের প্রত্যেকে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে  ৮০ কেজি করে চাল নিয়ে বের হলেও তা বাড়ি পর্যন্ত নেবার সৌভাগ্য হয়নি কারোরই। জেলেরা স্থানীয় মাগুরা মাদ্রাসা রোডস্থ সালামের মুদী দোকানের সামনে এলে পথিমধ্যে ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী তাদের পথ আটক করেন এবং তাদের প্রত্যেককে ২৩ কেজি করে চাল দিয়ে বাকিটা নিজে রেখে সবাইকে পাঠিয়ে দেন। এ ব্যাপারে  ভূক্তভোগীদের পক্ষ থেকে জেলে ইদ্রিস মাতুব্বর ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগী  জেলে ইদ্রিস মাতুব্বর অভিযোগ করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে বসে গত মঙ্গলবার আমাদের ওয়ার্ডের আটজন জেলের নামে এপ্রিল ও মে মাসে প্রত্যেককে  ৮০ কেজি চাল বিতরণের মাষ্টাররোলে আমাদের স্বাক্ষর নেয়া হলেও ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী আমাদেরকে ২৩ কেজি করে চাল দিয়েছেন। চাল কম দেয়ার কারণ জানতে চাইলে আমাদের (জেলেদের) বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদর্শন করেন ওই ইউপি সদস্য। এ ঘটনায়  আমি ইউএনও’র কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।

তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ বানোয়াট ও তাকে হেও পতিপন্ন করার জন্য প্রতিপক্ষকে পাল্টা দোষারোপ করেছেন ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী।

এদিকে খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আলম সেরনিয়াবাত জানান, ইউনিয়ন পরিষদে বসে ১১১ জন জেলেদের মধ্যে ৮০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। তবে পথিমধ্যে কেউ চাল কেউ অনিয়ম করলে আমার সেটা জানা নেই।

খাঞ্জাপুর ইউপির এক সদস্য’র বিরুদ্ধে চাল কম দেয়ার লিখিত অভিযোগ করেছেন এক জেলে। বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা মৎস্য অফিসারকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্তে পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান।

পাঠকের মন্তব্য