গৌরনদী মডেল থানার সুনাম ক্ষুন্নার্থে মরিয়া এস.আই হেলাল

গৌরনদী মডেল থানার সুনাম ক্ষুন্নার্থে মরিয়া এস.আই হেলাল

গৌরনদী মডেল থানার সুনাম ক্ষুন্নার্থে মরিয়া এস.আই হেলাল

করোনা ভাইরাসকে পুঁজি করে নিত্য প্রয়োজনীয় মালবাহী গাড়ী চালকদের কাছ থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে পুলিশ সদস্য হেলাল উদ্দিন এর উপর।

গোটা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে। পুলিশসহ বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যেখানে গভীর রাতে অসহায় ঘরবন্ধী মানুষের দ্বারে দ্বারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আর ঠিক সেখানে পুলিশ বাহিনীর এই ভালো কাজকে কলংকিত করতে ব্যস্ত  পুলিশ বাহিনীরই এক সদস্য এস.আই হেলাল উদ্দিন।

জানা গেছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে বরিশাল জেলার প্রবেশদ্বার ভূরঘটায় গৌরনদী মডেল থানা কর্তৃক বসানো হয় চেক পোষ্ট। আর এই সুযোগকে কাজে লাগাতে ব্যস্ত গৌরনদী মডেল থানার এস.আই হেলাল উদ্দিন। তাকে চাঁদা দেয়া ছাড়া যেতে পারেনা ছোট বড় কোন ধরনের গাড়িই। গাড়ির কাগজপত্র যতই ঠিক থাক তার পরেও বিভিন্ন অজুহাতে তাকে দিতে হচ্ছে মোটা অংকের চাঁদা।

গত বৃহস্পতিবার রাতভর চলে তার (হেলাল) চাঁদাবাজি। ঢাকা মেট্টো চ-১৯-৫৭৫৫ নম্বরের একটি গাড়ির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকা সত্ত্বেও ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে দুই হাজার টাকা চাঁদা এসআই হেলালকে দেয়ার কথা জানিয়েছেন গাড়িটির চালক। গাড়িটির চালক মজিদ হাওলাদার জানান, ঢাকা থেকে বরিশাল আসার পথে ভুরঘাটা চেক পোষ্টের কাছে আসলে এস.আই হেলাল আমার গাড়িটি আটক করেন। আমার গাড়ির সকল কাগজপত্র ঠিক থাকলেও বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে তিনি (এস.আই হেলাল) আমার কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবী করেন। এসময় আর কোন উপায় না পেয়ে তাকে দুই হাজার টাকা দিয়ে গাড়িটি ছাড়িয়ে আনি। তবে এই ঘটনার কথা কোনমতে স্বীকার করতে নারাজ অভিযুক্ত এস.আই হেলাল উদ্দিন।

সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরনদী সার্কেল) মো. আঃ রব হাওলাদার জানান, এ বিষয়ে আমি শুনেছি এবং গৌরনদী মডেল থানার ওসি তদন্ত মো. মাহাবুবুর রহমানকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য