ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে 'একতা ঈদ উপহার' বিতরণ  

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে 'একতা ঈদ উপহার' বিতরণ  

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে 'একতা ঈদ উপহার' বিতরণ  

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে পুরো দেশ। এতে কর্মহীন ও অসহায় হয়ে পড়েছে দেশের খেটে-খাওয়া দিনমজুর,অসহায় ও দুঃস্থ মানুষরা এবং সেই সাথে চরম হতাশায় দিন কাটছে দুঃস্থ প্রতিবন্ধী শিশুদের। করোনার প্রভাবে বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা দিনদিন দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। দেশের এমন সঙ্কটময় মুহুর্তে দুঃস্থ-অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পূর্নবাসন কেন্দ্রের পরিচালক আমিরুল ইসলাম। 

বুধবার (২০ মে) দুপুর ১ টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার মোলানী ঝাড়বাড়ী গ্রামে একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পূর্নবাসন কেন্দ্রের প্রাঙ্গনে ১০০শত  হতদরিদ্র,অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশু ও অভিভাবকদের মাঝে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে "একতা ঈদ উপহার" বিতরণ করা হয়। 

এ সময় প্রত্যেক প্রতিবন্ধী শিশু ও অভিভাবকদের মাঝে ৫ কেজি চাল,১ কেজি আটা,৫০০ গ্রাম চিনি,৫০০ গ্রাম সেমাই,১ পিস সাবান ও কিছু দুঃস্থদের শাড়ী, লুঙ্গি এর প্যাকেট সামগ্রী বিতরণ করা হয়। 

জানা যায়,করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মানবতার ফেরিওয়ালা আমিরুল ইসলাম ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। করোনায় কর্মহীন হয়ে যাওয়া অসহায় ও হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে নিজস্ব অর্থায়নে ইতিপূর্বে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

একতা ঈদ উপহার বিতরণের সময় "একতা প্রতিবন্ধী উন্নয়ন স্কুল ও পূর্নবাসন কেন্দ্রের পরিচালক আমিরুল ইসলাম  বলেন,স্বাধীনতার স্থাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছেন। আমি জাতির এই দুর্দিনে আমার যা কিছু আছে তা নিয়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমি ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রতিনিয়ত অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাঁড়াচ্ছি। দেশের এ দূর্যোগ ময় মুহুর্তে অসহায় ও হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে না দাঁড়ালে তারা চরম হতাশায় দিন কাটাবে। এই প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে কেউ দাঁড়ায় না। আমার প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২০০ শত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী আছে। করোনা ভাইরাসের কারনে তারা এখন বাড়ীতে অবস্থান করছে। এ দূর্যোগময় সময়ে প্রতিবন্ধী শিশুদের পাশে দাঁড়ালে তারা অনেক খুশি হবে। আমি আর পারছি না। প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহযোগিতা পেলে অনেক উপকৃত হতাম। আমার প্রতিষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও বিজিবির পক্ষ থেকে যা বরাদ্দ দিয়েছিলো আমি তা অসহায়দের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছি। 

এ সময় তিনি আরো বলেন,আসুন আমরা যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সংকটাপন্ন অসহায় প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবারের পাশে গিয়ে দাড়াঁই তাহলে একজন মানুষকেও কষ্টে থাকবে না। দেশের এ দূর্যোগ ময় মুহূর্তে সব মানুষের উচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে মানবিক হাতটাকে প্রসারিত করা। তাহলে মানুষ বাঁচবে, দেশও বাঁচবে। ঘুরে দাঁড়াবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা।

পাঠকের মন্তব্য