কালিগঞ্জে বয়স্ক, বিধবা ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে ব্যাপক দুর্নীতি 

কালিগঞ্জে বয়স্ক, বিধবা ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে ব্যাপক দুর্নীতি 

কালিগঞ্জে বয়স্ক, বিধবা ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে ব্যাপক দুর্নীতি 

কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সরকারি বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ, খাদ্যবান্ধব কর্মসুচিতে অনিয়ম সহকারে ব্যপক দূনিতির অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। সরকারি বয়স্ক, বিধাব, খাদ্যবান্ধব কর্মসুচি ও প্রতিবন্ধী বেক্তিদের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামকরে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ্যাধীক টাকা।

শুক্রবার (২২ মে) বিকাল ৪ টায় উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের উজায়মারী গ্রামে বিক্ষব সমাবেশ পালন করার সময় এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচন করি জনপ্রতিনিধি, আমাদের সুখে এবং দুঃখে পাশে থাকবে এমনই প্রত্যাশা  করি। কিন্তু  কিছু জনপ্রতিনিধিরা  গরীবের সর্বস্ব লুটে খাওয়ার জন্য ব্যাস্ত সবসময়।

২৫ জনের ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে জনপ্রতি ৪ হাজার করে টাকা আত্মসাৎ করে নিজের পকেট ভরছে খোদ ইউপি সদস্য মোনিরুল ইসলা ওরফে মোনর মেম্বার। তবে এখানেই খ্যান্ত থাকেননি তিনি, মারা যাওয়ার পরেও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছে এমন বেক্তিদের টাকাও আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি করোনাভাইরাসের জন্য গরীব ও অসহায় সরকারি বরাদ্দকৃত ত্রাণের চাল, তেল আত্মসাৎ করে হাজতবাস করছে দেশের অনেক ইউপি সদস্যরা এর থেকে বাদ যায়নি চেয়ারম্যানরাও। এসব ঘটনাকে হার মানিয়েছে কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোনিরুল ইসলাম ওরফে মোনর মেম্বার।

মৃত ব্যাক্তিদের নাম ঠিকানা ও হিসাব নং ব্যবহার করে টাকা তুলছেন ইউপি সদস্য ও তার পশ্য দালালেরা। সরকারি বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী  ভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তিসহ খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ও ৪০ দিনের শ্রীজনশীল কর্মসুচির প্রায় ৩২ জন ব্যক্তির ৭দিনের টাকা উঠিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। ১০ বিঘা জমির মালিককে দেওয়া হযেছে খাদ্যবান্ধব কর্মসুচির ১০ টাকা কেজির চাল, দেওয়া হয়নি প্রকৃত গরীবকে।

এদের মধ্যে অনেকে মেম্বারের বাড়িতে ৪০ দিনের শ্রীজনশীল কর্মসুচির কাজ করতে চায়নি বলে তাদেরকে টাকা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছে উজায়মারী গ্রামের হজরত আলী গাজির স্ত্রী হালিমা খাতুর (৪৫), একই অথিযোগ করেছেন একই গ্রামের মৃত্য শহর আলী কারিকরের পুত্র আমিনুর কারীকর(৫২)। একই গ্রমের অরুন দাশের পুত্র জানান, আমার মা বেশ মনি দাশ(৭৫) কে বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার নামে টাকা নিলেও তার কার্ড দেয়নাই এই মোনর মেম্বর। অল্প কিছু দিন আগে আমার মা মারা যায় আমার পরিবার খুব অসহায়, আমি সংস্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের কাছে এই মেম্বারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি যানাচ্ছি।

উজায়মারী গ্রামের মৃত্য লালু কারীকরের ছেলে জিয়াদ আলী কারীকর বলেন, মেম্বর আমার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা নিয়ে আমাকে বয়স্ক ভাতার কার্ড দিয়েছে কিন্তু মাঝে মাঝে আমি আমার ভাতার টাকা পাইনা।

এসকল বিষয় জানতে চাইলে মথুরেশপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মোনিরুল ইসলাম মোনর বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ গুলো করা হয়েছে সেগুলো ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। ৪০ দিনের শ্রীজনশীল কর্মসুচির ৭ দিনের টাকা সরকার কেটে নিয়েছে সুধু আমার এখানে নয় প্রতেক ইউনিয়নে এমন করে ৭ দিনের ৪০ দিনের শ্রীজনশীল কর্মসুচির টাকা কেটে নিয়েছে। আর আমার জীবনে এমন কাজ আমি কোন দিন করেনি।

পাঠকের মন্তব্য