চাল উৎপাদনে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড 

চাল উৎপাদনে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড 

চাল উৎপাদনে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ড 

একের পর এক দুর্যোগে দেশের যখন ত্রাহি অবস্থা, তখন সুসংবাদ দিল বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিআরআরআই)। তারা বলছে, এ বছর দেশে চাল উৎপাদন হবে ৩ কোটি ৮০ লাখ টন। এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে রেকর্ড এই উৎপাদন অভ্যন্তরীণ চাহিদার চেয়েও বেশি। তাছাড়া এর মাধ্যমে এতদিন ধরে উৎপাদনের শীর্ষ তিনে থাকা ইন্দোনেশিয়াকে হটিয়ে তার জায়গা দখল করে নেবে বাংলাদেশ।

বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে চাল উৎপাদনে শীর্ষে অবস্থান করছে চীন। মার্কিন কৃষি বিভাগের মতে, এ বছর তারা উৎপাদন করবে ১৪ কোটি ৯০ লাখ টন চাল। এরপরই আছে ভারত, তাদের উৎপাদন পৌঁছাবে ১১ কোটি ৮০ লাখ টনে। বিআরআরআই বলছে, দেশে এ বছর চাল উৎপাদন হতে যাচ্ছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টন (যদিও মার্কিন কৃষি বিভাগের মতে, ৩ কোটি ৬০ লাখ টন)।

ওদিকে ইন্দোনেশিয়া উৎপাদন করতে যাচ্ছে ৩ কোটি ৫৯ লাখ টন। অর্থাৎ, বেশ কয়েক বছর ধরে শীর্ষ চারে থাকার পর এবার তিনে উঠে আসছে বাংলাদেশ, সেটা বিআরআরআই কিংবা মার্কিন কৃষি বিভাগের যে কোনোটির জরিপেই হোক না কেন। এরপর পাঁচ নম্বরে থাকা ভিয়েতনাম উৎপাদন করবে ২ কোটি ৭৫ লাখ টন।

একসময় দেশের মানুষের তিনবেলা আহারের জন্য যে চালের প্রয়োজন হতো, সেটিই উৎপাদন করা ছিল স্বপ্ন। স্বাধীনতার পর মাত্র ৭ কোটি মানুষের জন্যও চাল উৎপাদন করা সম্ভব হয়নি। আর আজ জনসংখ্যা কয়েকগুণ বাড়ার পরও চাল রপ্তানির কথা ভাবছে সরকার।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন- শুধু মার্কিন কৃষি বিভাগ নয়, আমাদের অনুসন্ধানও বলছে এ বছর উৎপাদনের রেকর্ড হতে যাচ্ছে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, উদ্বৃত্ত চাল বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করবো। বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে রপ্তানি করার মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য বিশ্বে বাংলাদেশের চাল রপ্তানির বাজার পোক্ত করা হবে।

পাঠকের মন্তব্য