বাঁধ প্রকল্পের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই

বাঁধ প্রকল্পের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী

বাঁধ প্রকল্পের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই : প্রতিমন্ত্রী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, বাঁধ প্রকল্পের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের কোন বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, “আমি কয়রা, শ্যামনগর, আশাশুনি ঘুরে দেখেছি যেখানে গাছ ছিলো সেখানে ভাঙ্গন হয় নাই, হলেও খুবই কম। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, তাই পুরো দেশবাসীর কাছে অনুরোধ করবো আপনারা নদী ও খালের পাড়ে গাছ লাগান, ঘর-বাড়ি সংরক্ষিত হবে।”

প্রতিমন্ত্রী আজ খুলনা জেলার দাকোপ ও পাইকগাছা উপজেলার বটবুনিয়াসহ ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন বাঁধ এলাকা স্পিডবোটযোগে পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

খুলনার দাকোপ উপজেলার জন্য ১২শ’ কোটি টাকার নতুন প্রকল্পের কথা জানিয়ে জাহিদ ফারুক বলেন: প্রকল্প বাস্তবায়নে জমি অধিগ্রহণ দরকার। তবে এতে মানুষ বিমুখ হয়ে যায়। কিন্তু একমাত্র শেখ হাসিনার সরকার জমির বাজারমূল্যের তিনগুণ বেশি দাম দেয়। প্রকল্প পাশের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে দ্রুততম সময়ে কাজ শুরু করে দেবেন বলেও জানান তিনি।

এ সময় সংসদ সদস্য মো: আক্তারুজ্জামান বাবু, হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (বাপাউবো) হাবীবুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মাহমুদুল ইসলাম, উপ-সচিব নুর আলম, খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (খুলনা) মো: রফিক উল্লাহ এবং খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী (পওর-২) পলাশ ব্যানার্জী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, চিংড়ির ঘেরের জন্য বাঁধ স্থায়ী হয় না। তাই বাঁধ থেকে কমপক্ষে ১০০ মি. দূরে চিংড়ি ঘের করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী “মানবতার নেত্রী” বলেই জনদুর্ভোগ কমাতে বাঁধ একবার করার পর আবারও করে দেন।

এর আগে গত ২৮ ও ২৭মে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, সাতক্ষীরার শ্যামনগর, আশাশুনি উপজেলার এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।

পাঠকের মন্তব্য