করোনা যুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের মনোবল বাড়াতে অভিনব উদ্যোগ 

মানবিক পুলিশ সুপার ডা. এসএম শহীদুল ইসলাম পিপিএম

মানবিক পুলিশ সুপার ডা. এসএম শহীদুল ইসলাম পিপিএম

করোনা যুদ্ধের এ পর্যায়ে এসে একের পর এক আক্রান্ত হচ্ছেন সামনের সারির যোদ্ধা পুলিশ সদস্যরা। সংকট যখন বেড়েই চলেছে তখন বিশেষজ্ঞদের মত, শারীরিক সুরক্ষার পাশাপাশি বাহিনীর মনোবল ধরে রাখতে এখনই নিতে হবে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা। অন্যদিকে, সব পুলিশ সদস্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলছেন, যে কোনো সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন তারা।

যুদ্ধটা শুরু গত ৮ মার্চ। প্রায় দুই মাসের এই করোনা সংগ্রামে চিকিৎসকদের মতোই সামনের সারিতে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা। শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাই নয়, প্রতিটি প্রয়োজনে নাগরিকদের পাশে রয়েছেন বন্ধুর মতোই। করোনা-আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে দেশবাসী। এই পরিস্থিতিতে সন্মুখ যোদ্ধা পুলিশ কর্মীদের মনোবল বাড়াতে অভিনব পন্থা নিল কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল (সিপিএইচ), রাজারবাগ, ঢাকার পুলিশ সুপার (এইচআর), ডাঃ এস, এম শহীদুল ইসলাম পিপিএম।
 
করোনায় আক্রান্ত অকুতোভয় ফ্রন্ট ফাইটার্স পুলিশ সদস্যদের মনোবল সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।

বাংলাদেশ পুলিশের মানবিক পুলিশ সুপার ডা. এসএম শহীদুল ইসলাম পিপিএম ১৯৭২ সালের ১ নভেম্বর  গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী থানার রাতইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শেখ মোহা. বাবর আলী ও মাতা আমেনা বেগম। তিনি ৮ ভাই-বোনদের মধ্যে ৪র্থ এবং তাঁর ৪ ভাই বিসিএস ক্যাডার এবং তাঁরা সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। তিনি ৫ম ও ৮ম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিসহ এসএসসি পরীক্ষায় ১৭তম এবং এইচএসসিতে ১৮তম বোর্ড স্ট্যান্ড করেন। তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও বুয়েটে পড়াশুনার সুযোগ পেয়েছিলেন কিন্তু চায়না সরকারের বৃত্তি নিয়ে Tongji Madical university-তে কৃতিত্বের সঙ্গে এমবিবিএস ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তিনি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্নিশিপ সমাপ্ত করেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডার্মাটোলজি বিভাগে কর্মরত অবস্থায় তিনি ২৩তম বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে (১২তম স্থান) মনোনীত হন এবং পরবর্তীতে ২৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে (এইচআর) পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত আছেন। 

পাঠকের মন্তব্য