নীলফামারীতে কোদাল হাতে নিয়ে রাস্তা প্রসস্ত কাজে ইউপি চেয়ারম্যান  

নীলফামারীতে কোদাল হাতে নিয়ে রাস্তা প্রসস্ত কাজে ইউপি চেয়ারম্যান  

নীলফামারীতে কোদাল হাতে নিয়ে রাস্তা প্রসস্ত কাজে ইউপি চেয়ারম্যান  

রাস্তা প্রসস্ত করণে নেই কোন সরকারি বরাদ্দ তাই ইউপি চেয়ারম্যান নিজেই কোদাল হাতে নিয়ে নেমে পড়লেন এক কিলোমিটার দৈঘ্যের রাস্তাটি ৬ ফিট থেকে ১২ ফিট প্রসস্ত করণ কাজে।

সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষায় না থেকে এলাকাবাসীর কষ্ট লাগব করতে স্বেচ্ছায় ওই কাজ শুরু করেছেন নীলফামারীর ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম রিমন।

নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা প্রসস্ত করছেন দেখে ওই গ্রামের আরো শতাধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় অংশ নেন ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে। মঙ্গলবার সকাল থেকে বোড়াগাড়ি ইউনিয়নের নদীয়াপাড়া এলাকার এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ৬ ফিট প্রসস্ত কাঁচা রাস্তাটি ১২ ফিট প্রসস্ত করনের কাজ করেন বিকাল পর্যন্ত।

ওই কাজে স্বেচ্ছায় অংশ গ্রহণকারী এলাকার অনিল চন্দ্র রায় বলেন, 'আমাদের বাড়ি যাওয়ার কাঁচা সড়কটি ছয় ফিট প্রসস্ত ছিল। ওই রাস্তা দিয়ে শুধুমাত্র বাইসাইকেল-মটরসাইকেল ও রিক্সা-ভ্যান ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। রাস্তাটি চিকন হওয়ায় এলাকার কেউ অসুস্থ্য হলে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য এ্যাম্বলেন্স প্রবেশ করতে পারেনা। এমনকি আগুন লাগলেও দমকল বাহিনীর গাড়ি প্রবেশ করতে পারবে না।'

ঈশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, রাস্তাটি প্রসস্তকরণের জন্য আমরা আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিমনের কাছে দাবী জানাই। কিন্তু চেয়ারম্যান বলেন, এখন ইউনিয়ন পরিষদে কোনো বরাদ্দ নেই। তবে আমি নিজেই ওই রাস্তাটি প্রসস্ত করবো যদি আপনারা আমাকে সহযোগিতা করেন। তিনি আরো বলেন, আজ সকালে দেখি চেয়ারম্যান নিজেই কোদাল হাতে নিয়ে মাটি কেটে রাস্তা প্রসস্ত করণের কাজ শুরু করেছেন। তাকে দেখে আমিসহ অন্যান্যরাও নেমে পড়ি ওই কাজে।

বোড়াগাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বলেন,"নদীয়াপাড়া এলাকার ওই কাচা রাস্তা ৬ ফিট। যানবাহন চলাচলে উপযোগী নয়। এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবি রাস্তা প্রসস্তকরণের। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে সরকারি কোন বরাদ্দ নেই। তাই স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তাটি প্রসস্ত করণের সিদ্ধান্ত নেই। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার ফজরের নামাজ পড়ে আমি নিজে কোদাল হাতে মাটি কাটা শুরু করি। এসময় এলাকাবাসীও স্বেচ্ছায় কাজে যোগ দেন। 

আশাকরি আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে পুরো এক কিলোমিটার রাস্তা ৬ফিট থেকে ১২ফিট প্রসস্তকরণ কাজ শেষ করতে পারবো।''

পাঠকের মন্তব্য