করোনার মধ্যেই কয়েকটি জেলায় বন্যা

করোনার মধ্যেই কয়েকটি জেলায় বন্যা

করোনার মধ্যেই কয়েকটি জেলায় বন্যা

দেশজুড়ে চলছে মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ। এর মধ্যেই দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যার পানি ঢুকেছে। বর্তমানে এ সব জেলার নদীগুলোর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টিপাত থাকবে। এতে আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত পানি বেড়ে ছয় জেলার আরো এলাকা প্লাবিত হতে পারে। এ ছাড়া আরো কয়েকটি জেলায় বন্যার পানি ঢুকতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে বন্যা পূর্বাভাস ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান বলেন, মাঝারি ধরনের এ বন্যা আগামী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ইতোমধ্যে যমুনার কিছু পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে পানি আরো বেড়ে উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলো বন্যাকবলিত হবে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবহিত হয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করেছে। আগামী কয়েকদিন পানি আরো বেড়ে এসব এলাকার নতুন নতুন জায়গা বন্যাকবলিত হবে। দুই সপ্তাহের মতো পানি থাকতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী ১০ দিন পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি বাড়তে পারে। এতে মুন্সীগঞ্জ জেলার ভাগ্যকূল পয়েন্ট এবং রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। এর প্রভাবে জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, টাঙ্গাইল, রাজবাড়ী ও মুন্সীগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকাও প্লাবিত হতে পারে।

পাঠকের মন্তব্য