প্রকৃত জেলে কিন্তু নিবন্ধেনের আওতায় আসেনি, তাদের অবস্থা কি ! 

প্রকৃত জেলে কিন্তু নিবন্ধেনর আওতায় আসেনি, তাদের অবস্থা কি ! 

প্রকৃত জেলে কিন্তু নিবন্ধেনর আওতায় আসেনি, তাদের অবস্থা কি ! 

সরকার ঘোষিত সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা বন্ধের ঘোষনা জেলেরা দুশ্চিন্তায়। কুতুবদিয়া উপকূলের ১৬ হাজারো বেশি জেলে রয়েছে। সরকারিভাবে  নিবন্ধিত ৮ হাজার ৪৫৬ জন জেলে খাদ্য সহায়তার আওতায় আসলেও বাকিরা সহায়তার আওতায় আসেনি।  জেলেদের দাবি, করোনা পরিস্থিতিতে অনিবন্ধিত জেলেদেরও সরকারি সহায়তা আওতায় আনা হোক। অবশ্য, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের  বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, অনিবন্ধিত জেলেদের নিবন্ধন করার জন্য সরকারের কাছে কয়েকবার চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

সাগরে ৬৫ দিন মাছ শিকার বন্ধ। তাই কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় প্রায় দুই হাজার ছোট/বড় মাছ ধরার ট্রলার নোঙর করা। আর এসব ট্রলারে বসে অলস সময় পার করছেন জেলেরা। তার ওপর করোনা পরিস্থিতি। সব মিলিয়ে সবারই চোখে মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ।

অনেকেই নিবন্ধিত জেলে নন, তাই পান না সরকারি খাদ্য সহায়তা। আবার যাদের জেলে কার্ড রয়েছে তাদের অনেকের অভিযোগ খাদ্য সহায়তা পাচ্ছেন না সময় মতো। তার উপর নতুন করে যুক্ত হয়েছে করোনা পরিস্থিতি।

জেলেদের একজন কাদের বলেন, ৫ বছরের মধ্যে কোনো জেলে কার্ড পাইনি এ বছরও পাব কিনা জানি না।

আরেকজন জেলে বলেন, কোনো মাঝি অথবা কোনো স্টাফ ১০ কেজি চাল অথবা ১০ টাকা সরকার থেকে পেয়েছি শুনিনি। নিবন্ধিত না হওয়ায় উপজেলার প্রায় ৮ হাজারো অধিক জেলে সরকারি খাদ্য সহায়তা পান না বলে দাবি করেন জেলেদের একাংশ। তারা বলেন একদিকে করোনা আরেক দিকে ৬৫ দিন বন্ধ। সব মিলে হাহাকার।

উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা আইয়ুব আলী জানান, অনিবন্ধিত জেলেরাও যাতে সরকারি সহায়তা পায় তার জন্য সরকারের কাছে কয়েকবার চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে  নিবন্ধিত জেলেদের মধ্যে যারা এখন অন্য পেশায় যুক্ত বা বিদেশে চলে গেছে তাদের পরিবর্তে অনিবন্ধিত  গরীব অসহায় জেলেদের মাঝে এ সরকারি সহায়তা দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ছোট-বড় মাছ ধরার ট্রলার রয়েছে প্রায় ২ হাজার। এসব ট্রলারে ১৬ হাজারোধিক জেলে সাগরে মাছ শিকার করেন।

পাঠকের মন্তব্য