আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের ১৪ বছর 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের ১৪ বছর 

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের ১৪ বছর 

কোনো সন্দেহ নেই বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটারের একজন সাকিব আল হাসান। ব্যাট-বলের খেলায় দেশকে দুই হাত ভরে দেয়ার পাশাপাশি ছাড়িয়ে গেছেন অনেক রথী-মহারথীকে। অথচ ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার দিন কেউ কি জানতেন, দুর্দান্ত এক অলরাউন্ডার পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ!

অভিষেকের পর সময়ের ব্যবধানে সাকিবের অর্জনগুলোও বেড়েছে। ব্যাট কিংবা বল, দুই বিভাগেই সমান মুন্সিয়ানা দেখিয়ে মাত্র তিন বছরের মাথায় ওয়ানডেতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার হওয়ার কীর্তি দেখান মাগুরার এ ক্রিকেটার। পরবর্তীতে ইতিহাসের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তিন ফরম্যাটেই সেরা অলরাউন্ডার নির্বাচিত হন সাকিব।

ইতোমধ্যে ৪টি বিশ্ব আসরে দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন এ অলরাউন্ডার। তবে ২০১৯ ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ বেশি স্মরণীয় হয়ে থাকবে সাকিবের কাছে। এ আসরে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখান তিনি। ব্যাট হাতে ৬০৬ রানের পাশাপাশি বল হাতে নিয়েছেন ১১ উইকেট।

২০০৭ সালের ১৮ মে টেস্টে অভিষেক হয় সাকিবের। এরপর খেলা ৫৬ ম্যাচ থেকে ৫ শতক এবং ২৪ অর্ধশতকে করেন ৩৮৬২ রান। এছাড়া বাঁহাতি স্পিনে  সংগ্রহ করেন ২১০ উইকেট।

ওয়ানডেতে ২০৯ ম্যাচ থেকে ৯ সেঞ্চুরি এবং ৪৭ ফিফটির সাহায্যে সাকিবের সংগ্রহ ৬৩২৩ রান। সাথে ঝুলিতে পুরেছেন ২৬০ উইকেট। বিশ ওভারের ক্রিকেটে ৭৬ ম্যাচ থেকে ১৫৬৭ রানের পাশাপাশি এই অলরাউন্ডারের শিকার ৯২ উইকেট।

পাঠকের মন্তব্য