বিএনপির মুখে মানবাধিকারের কথা মানায় না : সেতুমন্ত্রী

বিএনপির মুখে মানবাধিকারের কথা মানায় না : সেতুমন্ত্রী

বিএনপির মুখে মানবাধিকারের কথা মানায় না : সেতুমন্ত্রী

বিএনপি আর দুর্নীতি এখন অনেকটাই সমার্থক শব্দ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নগর ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক দোয়া-মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় অবস্থিত নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এতে যুক্ত হন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, হত্যা ও খুনের অনুমোদন দেওয়া, খুনিদের সঙ্গে সখ্যতা আর সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতি করাই বিএনপির ঐতিহ্য। তারা দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে, অথচ তারাই ক্ষমতায় থাকাকালে দেশে পাঁচ পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। দুর্নীতি আর বিএনপি এখন অনেকটাই সমার্থক শব্দ।

তিনি আরো বলেন, যারা কথায় কথায় গুম-খুনের কথা বলেন, মানবাধিকারের বুলি আওড়ান, তারাই ২০০২ থেকে ২০০৩ সালে অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে দেশে ৯৭ জনকে হত্যা করছিলো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনিদের বাঁচাতে দেশে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলো। তাদের মুখে মানবাধিকারের কথা মানায় না।

রাজধানীতে বসে গণমাধ্যমে সরকারের নামে গুজব, মিথ্যাচার আর নেতিবাচক বক্তব্যের মাধ্যেমে বিষবাষ্প ছড়ানোই বিএনপির রাজনীতির মূল হাতিয়ার বলে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, একটি দল দুর্যোগে দেশের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়নি। এতে তারা দলগতভাবে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে।

দেশের উন্নয়ন বিরোধী অপশক্তি এখনো সক্রিয় উল্লেখ্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরো বলেন, ১৫ ও ২১ আগস্ট ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা দেশের এগিয়ে যাওয়ার পথ বন্ধ করতে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। তবে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যতক্ষণ আছেন ততক্ষণ দেশের সমৃদ্ধ আগামী বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবেই। কেউ তাতে বাধা দিতে পারবে না।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেলাল উদ্দিন আহমদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

পাঠকের মন্তব্য