সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্প

সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্প

সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্প

বিশ্ব মহামারি করোনার কবলে পড়ে বাংলাদেশের অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। এমনটি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পসংস্থা (বিসিক)।

দেশে প্রায় ৭১ লক্ষ অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে জড়িত প্রায় আড়াই কোটি মানুষ এখন দারুন আর্থিক কষ্টে জীবন যাপন করছে। 
এজন নারী উদ্যোক্তা জানিয়েছেন, করোনার কারণে লকডাউনে পড়ে ব্যবসা বন্ধ থাকায় কর্মচারীদের প্রথম দু’মাস সামান্য কিছু বেতন দিলেও এখন একেবারেই বন্ধ।

সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্থ দেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি শিল্প। করোনার আঘাতে স্থবির হয়ে গেছে জামদানি ব্যবসা। বিক্রি না থাকায় অভাবে দিন কাটাচ্ছেন এখাত সংশ্লিষ্টরা। উৎপাদকরা জানান, তাদের পণ্য দোকানিরা নিচ্ছে না। তবে অলাইনে বাজারজাত করার কিছুটা সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে,এটাই  যা স্বম্তি।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ড.সায়েমা হক বলেছেন, সরকারি প্রণোদনা ও বেসরকারি সহজ ঋণ সহায়তা বদলে দিতে পারে জামদানির ভবিষ্যত। এ প্রসঙ্গে বিসিক-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তাক হাসান জানিয়েছেন, প্রত্যেক জেলায় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ এ প্রণোদনামূলক ঋণ প্রদানের জন্য কমিটি কাজ করছে। কোভিড শেষ হবার পরও তারা কার্যক্রম আব্যাহত রাখবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন,আর্থিক প্রণোদনা ও  সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করলে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারবে এ শিল্প খাত। তবে ক্ষতি যা হয়েছে তা পূরণ হতে পাঁচ-ছ’ বছর লেগে যাবে বলে ধারনা করছেন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা।

পাঠকের মন্তব্য