পটুয়াখালীতে অপহরনের ৭ দিন পরে কিশোরী উদ্ধার

পটুয়াখালীতে অপহরনের ৭ দিন পরে কিশোরী উদ্ধার

পটুয়াখালীতে অপহরনের ৭ দিন পরে কিশোরী উদ্ধার

র‍্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক, সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ রবিউল ইসলাম, এর নেতৃত্বে অদ্য ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০:৩০ ঘটিকার সময় বরিশাল জেলার পূর্ব পাংশা বাবুগঞ্জ এলাকায় অভিয়ান পরিচালনা করে মূল অপহরণকারী অনিক কর (২৮), পিতা- নির্মল কর, সাং-শোলক, ইউনিয়ন-শোলক, থানা-উজিরপুর, জেলা- বরিশালকে আটক করা হয়। 

ঘটনার বিবরণে জানাযায় গত ২০ সেপ্টেম্বর২০২০ইং তারিখে দুপুর ১২.০০ ঘটিকার সময় নাবালিকা মেয়েকে বাসার সামনে হইতে তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আপহরণ করিয়া নিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে অপহৃত ভিকটিমের পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করেও কোথাও না পেয়ে ভিকটিমের পিতা পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন (পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার জিডি নং-৮৪০ তাং- ২০ সেপ্টেম্বর০২০ ইং) এবং অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধারে র‍্যাবের সহাযোগিতা কামনা করেন। 

এ ব্যপারে তদন্তপ্রেক্ষিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি বিশেষ আভিযানিক দল ২৬/০৯/২০২০ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১০.৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে নিখিল বিশ্বাস (৬৫), পিতা- মৃত কানাই লাল বিশ্বাস, সাং- চতুরপাড়া, থানা- সদর, জেলা- মাদারীপুর এর নিজ বাসা হইতে ২২.৩০ ঘটিকার সময় নাবালিকা মেয়ে পলাশ রানীদে (১৭)কে ছদ্ম নাম উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও আটককৃত আসামীকে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় হস্তান্তর করা হয়। 

জানাযায়,এ সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতাঃ বাদী হয়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন বলে যানাযায়।

এব্যপারে পটুয়াখালী ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইফতেখারুজ্জামান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিদিনের ন্যায় আমাদের এ অভিযান ভবিষ্যতে ও অব্যহত থাকবে বলে তিনি জানান। 

উক্ত ঘটনার সত্যতা জানতে গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ ওসিঃ মনিরুল ইসলাম জানান,অভিযোগ পেয়েই আসামিকে গ্রেফতার কারা হয়েছে।জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

পাঠকের মন্তব্য