ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড; পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ র‍্যালী

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড; পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ র‍্যালী

ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদন্ড; পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ র‍্যালী

সারাদেশে চলমান নারীর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণ এর "সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যু দন্ড" আইন পাশ হওয়ায় দেশবাসী সকলেই আনন্দিত।

এরই ধারাবাহিকতায় রাজপথে আন্দোলনরত বাংলাদেশ ছাত্রলীগও আনন্দিত। "ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড" এই আইনকে সাধুবাদ জানিয়ে আনন্দ র‍্যালী করেন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ। উক্ত র‍্যালীতে নেতৃত্ব দেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,পটুয়াখালী জেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি মোঃ হাসান সিকদার ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মোঃ ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া। উক্ত র‍্যালিতে অংশগ্রহন করেন পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীসহ সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জাহিদ আরিফ ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক আসাদুল ইসলাম মামুন হাওলাদারসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীবৃন্দ।

র‍্যালীর এক পর্যায়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মোঃ ইকবাল হোসেন ভূইয়া বলেন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে এমন আইনের জন্য গনতন্ত্রের মানসকন্যা,প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে জানাই ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সংগ্রামী সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ভাই, ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে আমরা সর্বদা রাজপথে ছিলাম। এ আইন আমাদের জন্য সেরা উপহার।আমরা পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগ এজন্য খুবই আনন্দিত।

সংগ্রামী সভাপতি, মোঃ হাসান সিকদার বলেন, একটা কুলাঙ্গার মহল সারাদেশকে ধর্ষণের অভয়ারণ্যে পরিনত করেছে। আমরা ধর্ষণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সংগ্রামী সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ভাই, ও বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশে সর্বদা রাজপথে ছিলাম। "ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড " হওয়ায় আজ আমরা খুবই আনন্দিত। এই আইনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনাকে"। 

পাঠকের মন্তব্য