যথাযথ মর্যাদায় জশনে জুলুসে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

যথাযথ মর্যাদায় জশনে জুলুসে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

যথাযথ মর্যাদায় জশনে জুলুসে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী উদযাপন

যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ-ই মিলাদুন্নবী। মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম ও মৃত্যু দিবস স্মরণে আলোচনা সভা ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বের করা হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা- জশনে জুলুস। এসব কর্মসূচিতে মহানবীকে নিয়ে ফ্রান্সে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করার প্রতিবাদ জানান ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। 

ইসলাম ধর্মের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম ও মৃত্যু দিবস স্মরণে ঈদ-ই মিলাদুন্নবী হিসেবে পালন করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

যথাযথ মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে এ দিনটি উদযাপন করা হয়। মিলাদুন্নবী উপলক্ষে করোনা অতিমারিতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই শোভাযাত্রা বের করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট থেকে বের করা হয় জশনে জুলুস। এ সময় মহানবীর আগমনের শুভ বার্তার বিভিন্ন শ্লোগান দেন অংশ গ্রহণকারীরা। সেই সাথে ছিলো ফ্রান্সে মহানবীকে নিয়ে কটুক্তি করার তীব্র প্রতিবাদ।  

ধর্মীয় শোভাযাত্রার পাশাপাশি দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে। এর আয়োজন করেন আনজুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভান্ডারিয়া। এ সময় ঈদে মিলাদুন্নবী’র তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন বক্তারা।

তিনি জানান, মুসলমানদের ঐক্য না থাকায় মুহাম্মদ (স.) ও ইসলামকে নিয়ে কিছু মহল ব্যঙ্গকরার সুযোগ পাচ্ছে। সব মুসলমানকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবানও ছিলো মইনিয়া মাইজভান্ডারির প্রেসিডেন্ট সাইফুদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে। পাশাপাশি অতিরঞ্জিত কিছু না করার আহ্বান জানান ইসলামী চিন্তাবিদরা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক বলেন, ধর্মের উপর আঘাতকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করতে হবে।

পাঠকের মন্তব্য