যুবশক্তিকে আত্মনির্ভর করতে পথ দেখাচ্ছে সরকার

যুবশক্তিকে আত্মনির্ভর করতে পথ দেখাচ্ছে সরকার

যুবশক্তিকে আত্মনির্ভর করতে পথ দেখাচ্ছে সরকার

দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর বড় অংশ এখনও কর্মহীন। প্রতি বছরই বাড়ছে এই সংখ্যা। প্রতি বছর ২০ লাখ যুবশক্তি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীতে যুক্ত হয়। তবে চাকরি বা কর্মসংস্থানের বাইরে থেকে যায় তাদের বড় অংশ। আওয়ামী লীগ সরকার ঘরে ঘরে কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি পূরণে বেশ কিছু কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। সরকারি বেসরকারি চাকরির পাশাপাশি দক্ষ কর্মী হিসেবে যুবশক্তিকে আত্মনির্ভর করতে পথ দেখাচ্ছে সরকার। 

‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র তথ্য মতে দেশের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠি ৮ কোটি ২০ লাখ। প্রতিবছর চাকরির বাজারে আসে ২০ লাখ তরুণ। কিন্তু সবাই কর্মের সুযোগ পায় না। ফলে বড় একটি অংশ থেকে যাচ্ছে বেকার। 

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতি পরিবারে অন্তত একজনের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্র“তি দেয়। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের ইশতেহারেও সেই প্রতিশ্র“তি ছিল। 

এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ২০১০ সালে ‘ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি’ চালু করে সরকার। তিনটি জেলার ১৯টি উপজেলায় ৫৬ হাজার ৫৪ জন বেকার যুবক ও যুব মহিলাকে অস্থায়ী ভিত্তিতে চাকরি দেয়া হয়।  যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির পরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, অস্থায়ী চাকরি ও আত্মকর্মসংস্থান নিয়ে সুবিধা ভোগীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি আছে। 

‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’- বিডা’র তথ্য মতে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম আট মাসে বিডা’র প্রকল্পগুলোতে সোয়া লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে বিদেশী বিনিয়োগ অনিয়মিত হওয়ায় নতুন কর্মসংস্থান থমকে আছে বলে জানান আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে।  

শিক্ষিত বেকারদের চাকরি নয় দক্ষতা বৃদ্ধি করে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মনির্ভর করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ জাহিদ আহসান রাসেল। 

কর্মক্ষম জনগোষ্ঠিকে আত্মনির্ভরশীল করতে সাধারণ মানুষের মানসিকতারও পরিবর্তন আনতে হবে বলেও মনে করেন তারা।   

‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো’র তথ্য মতে দেশের মোট কর্মক্ষম জনগোষ্ঠি ৮ কোটি ২০ লক্ষ এবং প্রতিবছর ২০ লক্ষ যুক্ত হয়। এর মধ্যে যুব জনগোষ্ঠি যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছর তারা আছে চার কোটি ২০ লক্ষ। এর মধ্যে প্রায় ৫২ লক্ষ বেকার যুবক।

পাঠকের মন্তব্য