ভাবিকে ধর্ষণ শেষে ভাবির মুখে বিষ ঢেলে হত্যা

ভাবিকে ধর্ষণ শেষে ভাবির মুখে বিষ ঢেলে হত্যা

ভাবিকে ধর্ষণ শেষে ভাবির মুখে বিষ ঢেলে হত্যা

সৌদি প্রবাসী শাহ আলম। প্রায় তিন বছর আগে বিয়ে করেন তানিয়া আক্তার নামের এক মেয়েকে। তাদের ঘরে দুই সন্তানও রয়েছে। কিন্তু সুন্দরী ভাবির প্রতি কুদৃষ্টি পড়ে দেবর জানে আলমের। সম্প্রতি তানিয়ার ঘরে ঢুকে শ্লীলতাহানি করে দেবর। এতেই ক্ষ্যান্ত হয়নি সে। ভাবির মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করা হয়। এতে এতিম হলো তানিয়ার অবুঝ শিশু।  

ঘটনাটি ঘটেছে হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ফদ্রখলা গ্রামে। বিষয়টি জানাজানির পর উপজেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিহত তানিয়া ফদ্রখলা গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে শাহ আলমের স্ত্রী এবং একই উপজেলার মির্জাটুলা গ্রামের সৌদি প্রবাসী নুরুল ইসলামের মেয়ে। 

এদিকে, মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে হবিগঞ্জের সিনিয়র এএসপি পারভেজ আলম আলম চৌধুরী ও বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুজ্জামানসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শন শেষে পুলিশ বলছে, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তাই এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

করোনার আগে দেশে ফেরার পর আর সৌদি যেতে পারেনি জানে আলম। এরই মধ্যে তানিয়াকে প্রায়ই কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল সে। বিষয়টি শ্বশুর-শাশুড়িকে জানালেও কোনো সমাধান পাননি তানিয়া। এরপর জানে আলমের স্ত্রীকেও বিষয়টি জানানো হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে জানে আলম। 

প্রতিশোধ নিতে ২২ নভেম্বর রাতে দরজা ভেঙে তানিয়ার ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে সে। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখে বিষ ঢেলে দেয়। পরে স্থানীয়রা তানিয়াকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরদিন সকালে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসকরা। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত তানিয়ার মামা আব্দুর রহিম জানান, তানিয়াকে ধর্ষণ করে মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করে জানে আলম। তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনও এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

হবিগঞ্জের সিনিয়র এএসপি পারভেজ আলম আলম চৌধুরী বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের পর মুখে বিষ ঢেলে হত্যা করা হয়েছে- এ মর্মে অভিযোগ পেয়ছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

পাঠকের মন্তব্য