নবীগঞ্জ এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নবীগঞ্জ এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নবীগঞ্জ এক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

নবীগঞ্জ উপজেলার বড় ভাকৈর ইউনিয়নের বিবিয়ানা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কানু লাল দাশের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া উঠেছে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিবিয়ানা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ২০১০সালে নবীগঞ্জের ভাটি অঞ্চল খ্যাত বড় ভাকৈর ইউনিয়নে হলিমপুর গ্রামে স্কুলুটি স্থাপিত হয়ে ছিল। স্কুলটি আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন এমপি মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী।উপজেলার পূর্ব বড় ভাকৈর ইউনিয়নের বিবিয়ানা আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কানু লাল দাশের ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন। তাঁর দায়িত্বহীনতার কারণে সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্টানে শিক্ষার বিপর্যয় ঘটেছে। তিনি অভিভাবকদের কাছথেকে ভর্তি ও বেতনের টাকা অভিনম কৌশলে আদায় করছেন। তা ছাড়া প্রায়ই অভিভাবকদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। করোনা পরিস্থিতি সব কিছুই উল্ট-পাল্ট করে দিয়েছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেকেই,আয় কমে গেছে বেসরকারি চাকরি জীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের। বিশেষ করে হাওড় অঞ্চলের মানুষ বিপাকে রয়েছেন পরিবারের বরণ পোষণ নিয়ে।এরই মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন ফি পরিশোধের চাপে বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরা। 

নির্ধারিত সময়ে পরীক্ষার ফি পরিশোধ না করতে পারলে বাড়িতে বসে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না এমন কঠোর হুশিয়ারি দেন তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের। ২০ টাকার জন্য বেতনের রিসিট না দেওয়ারও অভিযোগ অভিভাকদের। করোনা মহামারিতে সরকারি নিতিমালা জারি থাকা সত্বেও আইন না মেনে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৮ মাসের বেতন নেওয়া হয়েছে। 

এসএসসি পরিক্ষার্থীদের অগ্রীম বার্তা দেওয়া হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার রেজিষ্ট্রেশন ফি বাবদ ৩ হাজার ৫ শত টাকা করে জমা দিতে হবে। স্কুল থেকে আরো বলা হয়েছে টাকা সময় মত পরিশোধ না করলে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না এবং এক মাসের বেতনের জন্য ও পরের বছর ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি না করার ও অভিযোগ রয়েছে অভিভাবকদের। এই প্রতিবেদক সরেজমিনে যাওয়ার পর অভিযোগ বলার জন্য লাইন পেতে দাড়িয়ে রয়েছেন অভিভাবকরা। অভিভাবকরা বলেন, করোনা মহামারীর কারণে অসহায় হয়ে পরেছি আমরা ঠিক মত দুই বেলা খাবার খেতে পাই না। স্কুলের কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি বেতন ছাড়া পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।কিন্তু কিছুতেই রাজি হয়নি স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিবিয়ানা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কানু লাল দাশ বলেন,আমি এ ব্যাপারে কোনো কিছু বলতে চাই না। তবে তিনি এই প্রতিবেদককে সংবাদ না করার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তদবির করেন।

পাঠকের মন্তব্য