প্রকাশিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

প্রকাশিক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

পাক্ষিক আজাদবার্তা পত্রিকায় ৭নং সংখ্যায় ২৮ নভেম্বর উল্লেখিত তারিখের শেষ পাতার ৪র্থ কলামে “রাজকোষের অর্থ কী হজম হয়ে যাবে? প্রশাসন কেন নির্বিকার ? পাইকগাছা সরকারি স্কুলের শিক্ষক 'ইদ্রিস' এখন স্কুলটি ধ্বংসের কাল”- শিরোনামে প্রকাশিত খবরটি আমার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে। 

খবরে আমাকে ধুরন্ধর, চরিত্রহীন, বখাটে, নেশাখোর, স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন কারী, প্রধান শিক্ষক খালেকুজ্জামানের সরলতার সুযোগ নিয়ে অর্থকড়ি আত্মসাৎ, নারী শিশু নির্যাতন মামলার আসামী হওয়া, স্কুলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নকর বক্তব্য রাখা, কিছু শিক্ষকের নিয়ে দলবাজী করা, হিসাবপত্র না দেওয়া, প্রধান শিক্ষক তার বিরুদ্ধে গোপনীয় প্রতিবেদন লেখা ইত্যাদি উক্তি সমূহ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, আজগুবি, মনগড়া, কাল্পনিক ও বাস্তব অবস্থানের বিপরীত হইতেছে। আমি কোন দিন ধুমপান করি নাই বা বিদ্যালের টাকা আত্মসাৎ করি নাই। কারণ প্রধান শিক্ষকের সিল স্বাক্ষরে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে বিলপাস হয় এবং সোনালী ব্যাংক থেকে প্রধান শিক্ষকের প্রতিনিধির স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলন করেন। আমার সই স্বাক্ষরে টাকা উত্তোলনও হয় নাই জমাও হয় নাই। নিযার্তন মামলাটি মিথ্যা, কারণ মামলটি বিচারকি প্রক্রিয়ায় বা সাক্ষী প্রমানে আমি নির্দোষ প্রমানিত হইয়াছি। প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন মানুষের কাছে প্রলাপ বকছেন। 

সাংবাদিকদের কাছে মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে তাঁর পত্রিকায় প্রকাশের মাধ্যমে আমার এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে আমার পরিবারের সুনাম ও মানহানির চেষ্টা করা হয়েছে মাত্র। তাই প্রকাশিত সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। 

মুহাম্মাদ ইদ্রিস আলী সবুজ সহকারী শিক্ষক, পাইকগাছা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়।

পাঠকের মন্তব্য