শেখ হাসিনাই আশ্রয়স্থল ও চেতনার বাতিঘর

শেখ হাসিনাই আশ্রয়স্থল ও চেতনার বাতিঘর

শেখ হাসিনাই আশ্রয়স্থল ও চেতনার বাতিঘর

আমি একজন মোলিকুলার বায়োলোজিস্ট। পরিবেশের কারনে জীন এবং জীনের কাঠামোগত পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করাই আমার কাজ। এ লক্ষে গবেষণার সুবিধার্থে আমি মানুষকে দুইটি শ্রেণীতে ভাগ করেছি -ভালো মানুষ ও খারাপ মানুষ। আরও পরিস্কার করে বলতে হলে- ভালোজাত ও খারাপজাত। সাধারনত ভালোজাত আসে উন্নত বীজ (বংশগতি), উন্নত পরিবেশ এবং মিশ্র পরিবেশ (হাইব্রিড) থেকে। 

দূষিত ও খারাপ পরিবেশে দীর্ঘদিন অবস্থানের কারনে এই ভালোজাতের জীনগুলো ক্রমাগত মোডিফিকেশন হতে হতে এক সময় খারাপ জাতের প্রোডাক্টেই পরিবর্তন হয়ে যায়। উদাহরণ স্বরুপ, যখন আমাদের উন্নততর জাতের সর্বোচ্চ মেধাবী সন্তানরা বিসিএস স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে ফিল্টারিং হয়ে দূষিত এবং খারাপ অফিসিয়াল সিস্টেমের ভিতরে ঢুকে পড়ে, তখন অনেকের সামনে খারাপ হওয়া ছাড়া আর পথ খোলা থাকে না। তখন নতুন এক ভয়ংকর উচ্চ শিক্ষিত খারাপজাতের প্রোডাক্ট বাজারজাত হয়ে যায় এবং জীনগত অনিবার্য কারনে সেখান থেকে একটা খারাপ জাতের জেনেরেশন তৈরি হয়। 

ফলসরুপ, বড় বড় অফিস গুলোতে সুদখোর, ঘুষখোর, চামচা, দলবাজ, ফন্দিবাজ, দালালদের পদভারে প্রকম্পিত। এই খারাপ সিস্টেমের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছেন একজন বড়কর্তা (মন্ত্রী/বিগবস্)। কারন সে এখান থেকে সুবিধাভোগী। শুধুমাত্র উন্নততর জাতের বিগবস্ই উন্নততর অফিসিয়াল সিস্টেমের নিয়ামক ও সহায়ক শক্তি হতে পারে। সুতরাং একজন বিগবস্ই পারে একটা অফিসকে অথবা একটা দেশকে পরিবর্তন করে  দিতে। তা, না হলে জাতি মাথা তুলে দাড়াতে পারবে না। 

অপরদিকে খারাপজাত গুলো তো ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে নামতে থাকবে। আমার মত জীন গবেষকদের চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার থাকবে না।

সবকিছুর পরও আজ বাঙালির আশা ভরষার এক মাত্র বাতিঘর বঙ্গবন্ধু কন‍্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা, যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অদম‍্য গতিতে এগিয়ে চলেছে উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশের তালিকায় অবস্থান করে নিতে। যিনি অসীম সাহসিকতার সাথে, শত প্রতিকুলতা অতিক্রম করে, মৃত্যুকে তুচ্ছ মনে করে, দুর্নীতির মুলোৎপাটন করার লক্ষে নিজ দল আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গসংগঠন থেকে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা শুরু করছেন। তিনি তার বক্তব‍্যে দেশবাসীকে সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, 'দূর্নীতিবাজ কোন দলের, গোষ্ঠির, ধর্মের কিংবা সম্প্রদায়ের হতে পারে না। শাস্তি তার পেতেই হবে।' 

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : Abinash C Mistry
লেখক : সিনিয়র সাইন্টিস্ট, ইমোরী ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন, আটলান্টা, আমেরিকা

পাঠকের মন্তব্য