“পদ্মা সেতু বাঙালির শক্তির প্রতীক ও ঐতিহাসিক ভাস্কর্য”

“পদ্মা সেতু বাঙালির শক্তির প্রতীক ও ঐতিহাসিক ভাস্কর্য”

“পদ্মা সেতু বাঙালির শক্তির প্রতীক ও ঐতিহাসিক ভাস্কর্য”

ডঃ মিস্ত্রী : সব বাধা অতিক্রম করে দৃশ‍্যমান পদ্মা সেতুর মাধ‍্যমে পঞ্চাশ বছর পর পুনরায় বিশ্ববাসী এক শক্তিশালী বাংলাদেশকে দেখল। বাংলাদেশে হয়ত পদ্মাসেতুর চেয়ে আরও অনেক বড় বড় প্রকল্প ভবিষ্যতে হবে। কিন্তু আজকের এই পদ্মা সেতু শুধু কেবল একটা অবকাঠামো নয়, এটা ছিল বিশ্বশক্তিকে প্রতিপক্ষ করে চ‍্যালেঞ্জ অতিক্রম করার এক মহা-অভিযান, বিশ্বে বাঙালির সততা পরীক্ষার অভিযান, দেশীয় ও বিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করার অভিযান, রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অভিযান, বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাড়াবার অভিযান, সর্বপরি বঙ্গবন্ধু কন‍্যা শেখ হাসিনার বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্বের অরিয়েনটেশনের অভিযান।

নিজস্ব অর্থায়ন, প্রযুক্তি, প্রকৌশলী, শ্রমিক এবং টুলস ব্যবহার করে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সাধিত হয়েছে। সবচেয়ে বড় বাধা ছিল দেশীয় ও আন্তজাতিক ষড়যন্ত্র মোকবিলা করার। অসম্ভব নয়, হ্যাঁ সম্ভব হয়েছে, শেখ হাসিনাই বাংলাদেশের জনগনের কল্যাণেই সম্ভব করেছেন। আমি একজন সায়েন্টিস্ট হিসাবে অনুধাবন করতে পারি স্বপ্নকে বাস্তবে দৃশ্যমান করার আবেগ ও অনুভূতি। শেখ হাসিনার চোখের সামনে তার চ‍্যালেঞ্জ স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ দৃশ্যমান হওয়াতে, তার মনের আবেগ ও অনুভূতি আমি বুঝতে পারি। কিন্তু আপামর বাঙালিকে পদ্মা সেতু দেখতে গেলে শেখ হাসিনার চোখ দিয়ে দেখতে হবে।

এই পদ্মাসেতু হচ্ছে বাঙালির শক্তি ও চেতনার প্রতীক। এই পদ্মা সেতু মানেই শেখ হাসিনা, এই পদ্মা সেতু মানেই বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক মুক্তির নতুন এক উদীয়মান বাংলাদেশ, যাহা নতুন প্রজন্মকে যুগে যুগে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেতনা ও গাইড হিসাবে কাজ করবে। এটা হতে পারে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সকলের গাইড। জীবনের সকল ক্ষেত্রে এই গাইড অনুসরণ করা যেতে পারে। ইচ্ছা থাকলে, সততার সাথে নিবিড় পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোন পরিকল্পনা সঠিক সময়ে, পরনির্ভরশীল না হয়ে, আমাদের দ্বারা বাস্তবায়ন করা সম্ভব। “পদ্মা সেতু” কে উদাহরণ হিসাবে পাশে রেখে যে কোন সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রী ইচ্ছা করলে, প্রতিটি স্থানীয় প্রকল্পে দুর্নীতি রোধ করে সঠিক সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব। তবে প্রকল্পকে দেখতে হবে “শেখ হাসিনার চোখ” (Lens of Sheikh Hasina) দিয়ে।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘজীবী হোক।

-আটলান্টা, আমেরিকা।

পাঠকের মন্তব্য