বাংলাদেশের শান্ত খান ও কলকাতার শ্রাবন্তীর ‘বিক্ষোভ’

বাংলাদেশের শান্ত খান ও কলকাতার শ্রাবন্তীর ‘বিক্ষোভ’

বাংলাদেশের শান্ত খান ও কলকাতার শ্রাবন্তীর ‘বিক্ষোভ’

শুটিং আগেই শেষ। বাকি ছিল মাত্র একটি রোমান্টিক গান। যে গানটি ছিল সিনেমার জন্য অপরিহার্য ! করোনা এসে সবকিছু এলোমেলো করে দেয়। তবে নতুন স্বাভাবিকে সুযোগ পেয়ে আটকে থাকা রোমান্টিক গানের শুটিং শেষ করেছেন বাংলাদেশের শান্ত খান ও কলকাতার শ্রাবন্তী।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি বিভাগের পর্যটন জেলা কালিংপং-এ ‘বিক্ষোভ’ কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে থাকা শ্রাবন্তী ও শান্ত খান অংশ নিয়েছে রোমান্টিক গানের শুটিংয়ে। পঙ্কজের কোরিওগ্রাফিতে দুদিনের এ গানের শুটিং শেষ হয়েছে।

রবিবার সন্ধ্যায় অনলাইনকে জানিয়েছেন শান্ত খান। বিক্ষোভ শিরোনামের এ সিনেমার পরিচালক শামীম আহমেদ রনী।

শান্ত খান বলেন, সিকোয়েন্স বা গানের শুটিং সব শেষ। আজ ইন্ডিয়াতে শ্রাবন্তী দিদি তার ডাবিং করছেন। গানের শুটিংয়ে অভিজ্ঞতা জানিয়ে শান্ত খান বলেন, শ্রাবন্তী দিদির সঙ্গে পিওর রোমান্টিক এটি। গানের শিরোনাম ‘চেয়েছি তোকে আফ্রি’। প্রথমে আমার নার্ভাস লাগছিল। কিন্তু শ্রাবন্তি দিদি এতো মিশুক যে উনি ইজি করে নিয়েছেন।

”উনি জিৎ, দেব, সোহম, অঙ্কুশ থেকে আমাদের সুপারস্টার শাকিব খানের সঙ্গেও রোমান্টিক গান করেছেন। বলেছেন, সম্ভবত কম বয়সী কো আর্টিস্ট হিসেবে আমার সঙ্গে রোমান্টিক গান করলেন। খুব মজা হয়েছে শুটিংয়ে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বিক্ষোভ সিনেমায় এ গানটি দেখে দর্শকদের কাছে ভালো লাগবে।”

এর মধ্য দিয়ে ‘বিক্ষোভ’ সিনেমার সব কাজ শেষ হচ্ছে বলে জানালেন শান্ত খান। তিনি বলেন, ইন্ডিয়া থেকে বিক্ষোভ’র সম্পাদনা ও কালার ও ভিএফএক্স-এর কাজ করা হচ্ছে। এখন পোস্ট প্রডাকশন চলছে। আসন্ন ঈদে বিক্ষোভ মুক্তি দেয়া হবে।

বছর দুয়েক আগে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ দাবিতে সোচ্চার হয়েছিল দেশের ছাত্র সমাজ। সড়কে যেন অকালে প্রাণ না যায় সে জন্য রাজপথে নেমেছিল কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ওইসব শিক্ষার্থী ও সেই সময়ের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মাতা শামীম আহমেদ রনি নির্মাণ করছেন ‘বিক্ষোভ’ চলচ্চিত্র। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে স্টোরি স্প্ল্যাশ মিডিয়া। এ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশি কোনো সিনেমার আইটেম গানে পারফর্ম করেছেন বলিউডের সানী লিওনি। ওই গানে কণ্ঠ দেন কোনাল।

নির্মাতা শামীম আহমে রনি বলেন, প্রতি বছর শতশত মেধাবী শিক্ষার্থীর জীবন চলে যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। এই বিষয়টি মানবিকতার জায়গা থেকে নাড়া দিয়েছে। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক দাবির ইস্যুটি দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে চাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বিক্ষোভের মাধ্যমে বাংলা ছবির দর্শক নতুন অনেককিছু পাবেন। সিনেমা মুক্তি পাবে আসন্ন ঈদে।

পাঠকের মন্তব্য