লটারিতে বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেল এক মেয়ে

লটারিতে বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেল এক মেয়ে

লটারিতে বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেল এক মেয়ে

মহামারি করোনার কারণে এ বছর দেশের সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে লটারিতে। 

সোমবার (১১ জানুয়ারি) অনলাইনে ভর্তির ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ঠাকুরগাঁওয়ের সরকারি বালক বিদ্যালয়ের ভর্তির 'সুযোগ' পেয়েছে এক মেয়ে শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিভাবকদের ভুলেই এই কাণ্ড।

ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে। প্রকাশিত ফলাফলের তালিকায় দেখা গেছে, সেখানে নাম এসেছে এক মেয়ে শিক্ষার্থীর।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ রসিকতা করতেও ছাড়ছেন না।

বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে 'ভর্তির সুযোগ' পাওয়া মেয়ে শিক্ষার্থী হলো- , ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাও গ্রামের ওয়াসিমা আক্তার লুবনা ।  লুবনার ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ডে শিফটের ভর্তি তালিকায় নাম এসেছে ।

এ বিষয়ে সঞ্জিব রয় নামে এক যুবক ফেসবুকে লিখেছেন, ' ঠাকুরগাঁও বয়েসে একজন মেয়ের পড়ার সুযোগ হয়েছে, বিষয়টি হাস্যকর। আমজাদ নামে এক সমাজ সেবক লিখেছে 'যে মেয়েটি বালক বিদ্যালয়ো চান্স পেয়েছে তার ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে মেয়েদের সঙ্গে পড়ার সুযোগ করে দিতে হবে।'

মেয়েটির বাবা মাদ্রাসা শিক্ষক হায়দার আলি জানান, আবেদন পক্রিয়ায় আমার কোন ভুল ছিলোনা। আমার মেয়েকে ঠাকুরগাঁও বালিকা বিদ্যালয়ে মেয়েদের সাথে পড়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ করছি। কিন্তু এখন আমি কি করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। তাই সকলের সাহায্য কামনা করছি।

এ বিষয়ে বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পিজুস কান্ত রয় বলেন, 'ওই ছাত্রী শিক্ষার্থীকে অন্য কোথাও ভর্তি নেয়া হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখানে আমাদের বলার কিছু নেই।'

কিভাবে বালক বিদ্যালয়ে একজন মেয়ে ভর্তির সুযোগ পেল, এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'অভিভাবকের ভুলের কারণে এমন হয়েছে। কারণ, ভর্তির ফরমে ৫ টি বিদ্যালয়ের নাম থাকে। ওই পাঁচটি বিদ্যালয়ের যেকোনো বিদ্যালয় অভিভাবকরা সিলেক্ট করেন। এখানে হয়ত ভুলে তারা ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সিলেক্ট করেছিল। যে কারণে লটারিতে বালক বিদ্যালয়ে সে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।'

পাঠকের মন্তব্য