সন্ত্রাসদমনে একসঙ্গে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশে পুলিশ 

সন্ত্রাসদমনে একসঙ্গে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশে পুলিশ 

সন্ত্রাসদমনে একসঙ্গে কাজ করবে ভারত-বাংলাদেশে পুলিশ 

ভারতীয় উপমহাদেশে ক্রমেই শিকড় ছড়াচ্ছে জেহাদের বিষবৃক্ষ। তাই এবার সন্ত্রাসদমনে একসঙ্গে কাজ করবে ভারত ও বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনী। দুই দেশের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা ও নয়াদিল্লি।

সন্ত্রাসবাদের লাগাতার উথ্থান নিয়ে মঙ্গলবার ভারচুয়াল বৈঠকে বসেন দুই প্রতিবেশী দেশের পুলিশ প্রধানরা। এর মাধ্যমে পরস্পরের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা বাড়বে বলে মনে করছে উভয় দেশ। এই ভারচুয়াল বৈঠকে জালনোট চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র, আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস, মাদক ও মানব পাচার নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। 
 
এছাড়াও দুই দেশের পলাতক সন্ত্রাসবাদীদের অবস্থান নিশ্চিত করে তাদের পাকড়াও করতে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়েও আলোচনা হয় দুই পুলিশ বাহিনীর কর্তাদের মধ্যে। আলোচনায় উভয়পক্ষই জঙ্গিদের বিরুদ্ধে একে অপরের কড়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করে একে অপরকে সহযোগিতা করার বিষয়েও আলোচনা হয়। অপরাধ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি ও ঢাকা। বৈঠকে দু’দেশের পুলিশ প্রধানরা ছাড়াও ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, জেএমবি, আল কায়দা-সহ একাধিক ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা বাংলাদেশে অপরাধ সংগঠিত করে পশ্চিমবনে পালিয়ে আশ্রয় নেয়। তেমনি, ভারতে হামলা চালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তাই এবার যৌথভাবে পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রসঙ্গত, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের আমলে বাংলাদেশে উত্থান হয় মৌলবাদের৷ 

নয়ের দশকে ও এই শতাব্দীর শুরুতে জন্ম নেয় হরকত-উল-জেহাদি-ইসলামি, ইসলামিক সমাজ, হিজবুত তাওহিদ-এর মতো একাধিক জঙ্গি সংগঠন৷ তারপর থেকেই দেশজুড়ে ক্রমশ বেড়ে চলে সংখ্যালঘুদের উপর হামলার ঘটনা৷ আওয়ামি লিগের আমলেও গুলশন হামলার মতো একাধিক নাশকতার ঘটনা দেশে ঘটিয়েছে জেহাদিরা৷ তবে শক্ত হাতে সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পাঠকের মন্তব্য