ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধে কঠোর হচ্ছে দেশর সরকার

ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধে কঠোর হচ্ছে দেশর সরকার

ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি রোধে কঠোর হচ্ছে দেশর সরকার

ভূমি সংক্রান্ত জাটিলতা নিরসনে নতুন আইনের খসড়া প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আইনটির মাধ্যমে কমবে জালিয়াতির কারণে হয়রানির শিকার বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ নিয়ে গতকাল সোমবার ভূমি সংক্রান্ত কাগজ জালিয়াতি প্রতিরোধে প্রস্তাবিত নতুন আইন বিষয়ক এক কর্মশালাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের এ কর্মশালায় আইন বিশেষজ্ঞ, মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। কর্মশালার সভাপতি ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ সবার মতামত গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভূমি ও ভূ-সম্পদ সম্পর্কিত জালিয়াতির কারণে হয়রানির শিকার হওয়া প্রকৃত ভূ-সম্পত্তির মালিকদের দ্রুত প্রতিকার প্রদানের উদ্দেশে নতুন আইনের খসড়া প্রণয়নের প্রস্তুতির ধারাবাহিকতায় গতকাল ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় খাস জমি দখল, জাল দলিল এবং খতিয়ান তৈরির বিষয়ে বিষদ আলোচনা হয়। একই সঙ্গে বালু ফেলে নদীর জমি দখলসহ জমিজমা সংক্রান্ত অন্যান্য জালিয়াতি ও জবর দখল সংক্রান্ত নানা বিষয়ও তুলে ধরেন আইন বিশেষজ্ঞ, মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এ সময় তারা জালিয়াতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ও মতামত প্রদান করেন।

কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাসুদ করিম, মুহাম্মদ সালেহউদ্দীন, প্রদীপ কুমার দাস ও যুগ্মসচিব মো. কামরুল হাসান ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। আইন বিশেষজ্ঞ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী মো. ইউনুস, আকতারুজ্জামান, ড. কাজী জাহেদ ইকবাল ও খন্দকার শাহরিয়ার শাকিব উপস্থিত ছিলেন। আরও উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের আইন ও জরিপ শাখার যুগ্মসচিব ও উপসচিব বৃন্দ। 

মাঠ পর্যায়ে কর্মরত আমন্ত্রিত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব ও অধিগ্রহণ), উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও অতিরিক্ত ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা। কর্মশালার সভাপতি ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ সবার মতামত গ্রহণ করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন।

ভূমি ও ভূ-সম্পদ সম্পর্কিত জালিয়াতির কারণে হয়রানির বন্ধে মন্ত্রণালয়ের এ উদ্যোগকে সাদুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে আইনের ফাঁকফোকর না রেখে বারবার যাচাই-বাছাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাহলেই আইনের সুফল ভোগ করবেন ভুক্তভোগীরা বলে মনে করছেন তারা।

পাঠকের মন্তব্য