ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে আগুন, ৫ লাশ উদ্ধার

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে আগুন, ৫ লাশ উদ্ধার

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে আগুন, ৫ লাশ উদ্ধার

ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের একটি নির্মাণাধীন ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন মজুদ রাখা কোভিশিল্ডের কোনো ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে পুনেতে সিরামের মঞ্জরির কারখানার পঞ্চম তলায় আগুন লাগে। ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আশপাশের এলাকা।

গত শনিবার থেকে দেশে টিকাকরণ কর্মসূচির শুরুর পর মজুত থাকা কোভিশিল্ডের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে সিরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেখানে আগুন লেগেছে, সেখান থেকে অনেকটা দূরে করোনাভাইরাস টিকা তৈরি ও মজুত রাখা হয়েছে। তাই কোভিশিল্ডের ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।

এক বিবৃতিতে সিরাম প্রধান আদর পুনাওয়ালা জানান, আগুনে ভবনটির কয়েকটি তলা ভস্মীভূত হয়েছে। তবে সরকার ও মানুষকে আমি আশ্বস্ত করতে চাইছি যে একাধিক কারখানার জন্য কোভিশিল্ডের উৎপাদনের ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতি হবে না। এরকম পরিস্থিতি সামলানোর জন্য সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ায় আরও কয়েকটি স্থান রাখা ছিল।

পুনের মেয়র মুরলীধর মোহল জানিয়েছেন, দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় দমকল বাহিনী। ঘটনা স্থলে দমকলের ১০ টি ইউনিট কাজ করছে। পুনের প্রধান দমকল কর্মকর্তা প্রশান্ত রনপিসে বলেন, ‘বাড়ির ভেতরে চারজন ছিলেন। আমরা এখন পর্যন্ত তিনজনকে উদ্ধার করেছি। কিন্তু ধোঁয়ার কারণে উদ্ধারকাজ কাজ ব্যাহত হচ্ছে। ইতিমধ্যে তৃতীয়, চতুর্থ এবং পঞ্চম তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খ্যাত সিরাম ইনস্টিটিউট পুনেতে একশ একরেরও বেশি জায়গাজুড়ে বিস্তৃত।

অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানজারি কমপ্লেক্সটির অবস্থান করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উৎপাদনের ভবন থেকে কয়েক মিনিট ড্রাইভের দূরত্বে। এটিকে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বলে ধারণা করা হয়। ভবিষ্যতের মহামারি মোকাবিলায় মানজারি কমপ্লেক্সে আট/নয়টি ভবন নির্মাণকাজ চলছে। সিরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে এগুলো তৈরি করা হচ্ছে।

ভারতের এই সিরাম ইনস্টিটিউট থেকেই অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিন কিনছে বাংলাদেশ।

পাঠকের মন্তব্য