পালংখালীতে নানা সমস্যা নিয়ে কাজ করছে মৎস্যজীবি লীগ  

পালংখালীতে নানা সমস্যা নিয়ে কাজ করছে মৎস্যজীবি লীগ  

পালংখালীতে নানা সমস্যা নিয়ে কাজ করছে মৎস্যজীবি লীগ  

 রোববার (২৪ জানুয়ারী) পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডে তেলখোলা প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বঙ্গবন্ধু ইউনানী হার্বাল সোসাইটির সামাজিক বনায়নের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে উখিয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা গাজী শফিউল আলমের সহ‌যো‌গিতায় “হা‌তি কর‌লে সংরক্ষণ, রক্ষা হ‌বে সবুজ বন”প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ূন কবির।

এসময় স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা নিরসন ও উন্নয়নের ধারা তরান্বীত করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন মুক্তি যোদ্ধার সন্তান,জেলা মৎস্যজীবি লীগ নেতা এবং “হঠাও হাইব্রীড বাঁচাও আওয়ামীলীগ” শীর্ষক আন্দোলনের নেতা শফিক সিরাজ। বঙ্গবন্ধু ইউনানী হার্বাল সোসাইটির কক্সবাজার জেলা চেয়ারম্যান নূর কামালের সামাজিক বনায়নের এই মহতি উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে শফিক সিরাজ বলেন, সরকার সামাজিক বনায়নের উদ্যোক্তা থাইংখালীর আব্দু রশিদ ও শেখ আলম গংদের পালিত বন সাবাড় করে রোহীঙ্গা ক্যাম্প স্থাপন করল কিন্তু এখনো ক্ষতিপূরণের কোন ব্যবস্থা করা হল না।  এর জবাবে বন প্রধান বলেন একটি আবেদনে ওনার সুপারিশ এবং ইউএনও মহোদয়ের সুপারিশ নিয়ে ইউএনএইচসিআর বরাবর প্রেরণ করতে। 

শফিক সিরাজ আরো বলেন, বনে যদি হাতির খাদ্য থাকে তাহলে হাতি লোকালয়ে হানা দেবে না এবং মানুষের যদি কর্ম সংস্থান থাকে তাহলে বনের গাছ কাটবে না, যনি গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়া হয় তাহলে মানুষ লাকড়ি কাটবে না, এমনি করে রক্ষা হবে বন ও পরিবেশ। আওয়ামীলীগ সরকারের কৃপায় আমরা অত্র ইউনিয়নের বুক চিরে মেরিন ড্রাইভ সড়কের সাথে সংযুক্ত  হতে যাচ্ছি সাথে সাথে যদি আমরা এই তেলখোলা-মোছার খোলার প্রতিটি ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে পারি তাহলে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক হতে পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কিনারা পর্যন্ত বন বিভাগের বনভূমি, খাল, ছরা, পুকুর, চাষের জমি সমূহের সঠিক ব্যবহার করতে স্থানীয় জনগোষ্টিকে উদ্যোগী করে গড়ে তোলবে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগ। 

এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ূন কবির বলেন,পল্লী বিদ্যুৎ যদি অফসিয়াল সরকারি নিয়মনীতি মেনে যথাযথ ভাবে বনবিভাগের জায়গায় বিদ্যুৎ খুটি স্হাপন করতে চাই তাহলেই তেলখোলা মোছারখোলাতে বিদ্যুৎ আসা সম্ভব,অন্যথায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে নয়।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক’কে বিজয়ী করার লক্ষে মৎস্যজীবি লীগ নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে গণ সংযোগ পরবর্তী তেল খোলা বাজারস্থ অফিসে সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে শফিক সিরাজ বলেন- প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ হবে, গৃহহীন কোন মানুষ থাকবে না কিন্তু আপনাদের সেই খবর কেউই দেয়নি,পরিত্যক্ত এই বন ভূমিতে আপনারা সামাজিক বনায়ন, মাছ, হাস-মুরগি, গরু পালন করে স্বাবলম্বী হতে পারেন, সরকার উদ্যোক্তা খুঁজছে প্রশিক্ষিত করে সরঞ্জাম দিয়ে বিনা সুদে লোন দেবে শেখ হাসিনার সরকার। কিন্তু প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা আপনাদেরকে বঞ্চিত করেই চলেছে, তাই আপনাদের অধিকার সচেতন হতে হবে। এই ৬ নং ওয়ার্ড়ে একটি উচ্চ বিদ্যালয় এবং হাসপাতাল প্রয়োজন। যারা ভোট ভিক্ষা চাইতে আসে তাদেরকে বলুন আপনাদের চক্ষু খোলে দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবি লীগ। 

মৎস্যজীবি লীগ ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি নুর মোহাম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক উমেং থাইন চাকমা রাজু বলেন আমাদের জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আজিজ চৌধুরির নির্দেশনা অনুযায়ী শফিক সিরাজের নেতৃত্বে সোনার বাংলা বিনির্মানে আমরা পরিপাটী কাজ করে যাব। মেহনতী মানুষের জয় অভিসম্ভাবি। 

আরনায়েক ফাউন্ডেশন সহ সরকারের সাথে বনায়নে অংশ নেবে কয়েকটি লিডিং এনজিও এবং সেচ্ছায় অংশ নিচ্ছেন বেশ কয়েকটি টিভি চ্যানেল ও সংবাদ পত্র। সূচনা লগ্নে যাদের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার সাংবাদিক জাহেদ হাসান, সাংবাদিক নুরুল বশর, এসিয়ান টিভির কক্সবাজার প্রতিনিধি সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক, মাই টিভির  কক্সবাজার প্রতিনিধি সাংবাদিক এম সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।

পাঠকের মন্তব্য