সন্তানের প্রতি যত্নবান হোন

সন্তানের প্রতি যত্নবান হোন

সন্তানের প্রতি যত্নবান হোন

একজন শিশুর কাছে সবচেয়ে নিরাপদ স্থানটি তার বাসা। অথচ দক্ষিণ এশিয়ায় ২ থেকে ১৭ বছর বয়সী ৪১ কোটির ও বেশি শিশু বাড়িতেই সহিংসতার শিকার হয়। এটি তাদের উপর দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক ও মানসিক প্রভাব ফেলে!

পরিবারে ছোট শিশুদের প্রতি যত্নবান হোন ।বর্তমান সময়ে শহুরে মা-বাবা চাকরিবাকরি নিয়ে সর্বদাই ব্যস্ত থাকেন। সকালে বাসা থেকে বের হওয়ার পর ক্লান্ত শরীর নিয়ে রাতে বাসায় ফেরায় তাদের আর পরিবারের ছোট সদস্যদের তেমন সময় দেয়া হয় না। ফলে পরিবারের ছোট সদস্যরা একাকিত্বে ভোগে, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাঘাত ঘটিয়ে নানা ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক কাজের দিকে ঠেলে দেয়।   
 
তাই এখনই সময় আমাদের সচেতন হওয়ার। তা না হলে সামনে অপেক্ষা করছে ভয়াবহ কালো অধ্যায়। আমরা নিজেদের মনের অজান্তে শিশুদের আগামী ভবিষ্যৎ ধ্বংস করছি। শিশুটি যখন সারাদিন একাকিত্বে ভোগে, শিশুটি যখন মানসিকভাবে দুর্বল ও অসহায় হয়ে যাচ্ছে তখন আমরা কেবল দোষ চাপিয়ে দিই উগ্র সংস্কৃতি ও রাজনীতিবিদের ওপর।

শিশুর কথা মনে রাখুন। তাকে আলাদা সময় দিন। বেড়াতে নিয়ে যান। তার সঙ্গে গল্প করুন। আপনি যদি শিশুর প্রতি যত্ন নেন, তাহলে সেও সামাজিক দায় বোধ অনুভব করবে। তাকে প্রয়োজনীয় সময় দিলে সে অন্য দিকে যাবে না। বাজে আদর্শে উদ্বুদ্ধ হবে না। অন্য কিছু ভাববে না।

কিশোর অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়বে না। 

তাই এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পরিবারের ছোট সদস্যদের প্রতি শহুরে মা-বাবাদের আরও বেশি যত্নবান হওয়া উচিত। 
আসুন, আমরা সবাই সতর্ক হই এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাড়াই।

হাসান সিকদার
শিক্ষার্থী
সরকারি তিতুমীর কলেজ, ঢাকা।

পাঠকের মন্তব্য