পাইকগাছায় দিনে ৮ জনসহ জুনে করোনায় আক্রান্ত ৩৭ জন 

পাইকগাছায় দিনে ৮ জনসহ জুনে করোনায় আক্রান্ত ৩৭ জন 

পাইকগাছায় দিনে ৮ জনসহ জুনে করোনায় আক্রান্ত ৩৭ জন 

পাইকগাছায়  করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। শঙ্কিত এলাবাসী। চিন্তিত প্রশাসন সহ স্বাস্থ্যবিভাগের দ্বায়িত্বরত চিকিৎসক বৃন্দ। হঠাৎ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে এক সপ্তাহের কঠোর বিধি নিষেধ জারি করেছেন পাইকগাছা পৌর এলাকাসহ ৪টি হাট। আজ তিন দিন ধরে এলাকায় এ বিষয়ে মাইকিং এ প্রচারনা করে জনসাধারণকে সর্তক করছে উপজেলা প্রশাসন। এদিকে আক্রান্তের সংখ্যা উপজেলা ব্যাপী যেভাবে ছড়িয়ে পড়ছে তাতে কঠোর বিধি নিষেধ পৌরসভা কেন্দ্রীক না রেখে সংক্রমণে সংখ্যাভিত্তিক কয়েকটি ইউনিয়ানও এ আওতায় বাড়ানোর জন্য বিবেচনার কথা জানিয়েছেন সুধীসমাজ।
 
বুধবার সন্ধ্যায় পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ইউনিটের মূখপাত্র ডাঃ ইফতেখার  বিন রাজ্জাক  জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাবে ১৬ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তার মধ্যে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

 তারা হলেন, সরল গ্রামের আলাপ সানা (৪৮), মাহমুদকাটির ছবিরণ খাতুন (৩৪), চেঁচুয়া মোঃ আল আমিন (২৫), বোয়ালিয়া তোহিদ (৩১), দেবব্রত সাধু (৬৫), লস্কর নাজমূল (৪৫), বাতিখালী জোহরা খাতুন (৫৫) এবং কয়রা মটবাটির নার্গিস খাতুন (২৬)।

উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, আমাদের চিকিৎসক বৃন্দ মৃত্যুকে উপেক্ষা ২৪ ঘন্টা মানুষের সেবা দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে হাসপাতালের ডাক্তার সহ স্টাফদের কয়েকজনের করোনা পজেটিভ। তারপরও আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাব। আপনাদের সবার কাছে আমাদের অনুরোধ- সবাই স্বাস্থবিধি মেনে চলুন। মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। সাবান, স্যানিটাইজার দিয়ে হাত পরিস্কার রাখুন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখি। আমরা সবাই সচেতন হই।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, জেলা প্রশাসক ও জেলা পর্যায় করােনা ভাইরাস এর সংক্রমণ প্রতিরাধ সহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ হেলাল হোসেন মহোদয়ের নির্দেশনায়  ১০ জুন বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা হত ২১ জুন সােমবার রাত ১২টা পর্যন্ত আরােপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকার কথা জানিয়েছেন। এব্যাপারে এলাকায় মাইকিং এ প্রচার অব্যাহত রয়েছে। 
 
সকলকে বিধিনিষেধ কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে। যারা বিধিনিষেধ লংঘন করবে তাদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ১৮৬০ ও সংক্রামক রোগে (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একমাত্র সচেতনাতার মাধ্যমে একে প্রতিরোধ করা সম্ভব। আমরা সবাই সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি। 

পাঠকের মন্তব্য