মাস্টার্সের ভর্তি ফি নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

মাস্টার্সের ভর্তি ফি নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

মাস্টার্সের ভর্তি ফি নিয়ে কুবি শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন বিভাগে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভর্তি ফি নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা দাবি, করোনা পরবর্তী সময়ে এতো টাকা দিয়ে স্নাতকোত্তরে ভর্তি হওয়া অনেকটাই অসম্ভব।তাই তারা অনতিবিলম্বে এই ফি কমানোর জোর দাবি জানায়।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন সময় স্নাতকোত্তরের ভর্তি ফি কমানোর দাবি জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭২ তম সিন্ডিকেট সভায় ফি পুনঃনির্ধারণ করা হয়। যেখানে বিজ্ঞান অনুষদ ৯৯০০ টাকা, প্রকৌশল অনুষদ ৯৯০০ টাকা, কলা ও মানবিক অনুষদ ৭১০০ টাকা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ৮৫০০-৯১০০ (শর্ত প্রযোজ্য) টাকা, আইন অনুষদ ৯১০০ টাকা, বানিজ্য অনুষদ ৯১০০ টাকা এর সাথে যুক্ত হয় বিভাগের সহযোগি সংগঠন ফি, ল্যাব ফি, হল সহ আনুষাঙ্গিক ফি যা বিভাগভেদে ৩-৬ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ফি কমানোর দাবি জানিয়ে ২০১৪-১৫ সেশনের ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ রাসেল বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও এক বছর মেয়াদি মাস্টার্সের ভর্তি ফি প্রায় ৮ হাজার টাকা অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বড় বোঝা হিসেবে কাজ করে। তার উপর বিভাগ চার্জ ২০০০ টাকা ও কোন কোন বিভাগের ল্যাব চার্জ বাবত অতিরিক্ত ফি যোগানো বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর জন্য অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই মাস্টার্সের ভর্তির প্রত্যেকটি খাতে ফি কমিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীর নাগালের নিয়ে আনতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।

২০১৫-১৬ সেশনে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ওসমান ফারুক বলেন, আমাদেরকে নিজেদের টাকায় বা ধারদেনা করে ইন্টারনেট কিনে ক্লাস করতে হয়েছে যেই টাকা খরচের পরিমাণ বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফির প্রায় সমান। মাস্টার্সে পরিপূর্ন টাকা দিয়ে ভর্তি হওয়া আমাদের মতো অনেক শিক্ষার্থীদের জন্য প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে প্রশাসনকে বিবেচনা করার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি। 

এ বিষয়ে কুবি রেজিস্ট্রার (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, কিছুদিন আগেই স্নাতকোত্তরের ফি কমানো হয়েছে, এখন আবার ফি কমানোর কোন যৌক্তিকতা দেখি না। কোন বিশ্ববিদ্যালয় ফি কমায় নি। তবুও বিষয়টা নিয়ে উপাচার্য মহোদয়ের সাথে আলোচনা করব।

পাঠকের মন্তব্য