২৩ শে জুন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপনের দিন

খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী

খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী

আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে এই দলটি। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই রচিত হয়েছে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে, টানা ৭২ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম, সৃষ্টি, অর্জন ও উন্নয়নের ইতিহাস।  
 
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মাওলা নকশেবন্দী সামাজিক গণমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন- ২৩ শে জুন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপনের দিন। আরও লিখেছেন, আজ বাংলাদেশ সর্বক্ষেত্রে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি'তে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। এটাই শেখ হাসিনার কারিশমা। 

প্রজন্মকণ্ঠ পাঠকের উদ্দেশে ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-  

২৩ শে জুন বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ বপনের দিন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তির জন্য পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরেই বঙ্গবন্ধু বুঝেছিলেন এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য একটি আলাদা রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম দরকার;- যারা এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ বেদনা বুঝতে পারবে। তাই মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ সম্পাদক করে আন্দোলন ধীরে ধীরে বেগবান হতে শুরু করে। সেই পথ ধরে ৬৯ এর গন অভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচনে নিরংকুশ বিজয় এবং ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধের ডাকে দেশের মানুষ ঝাপিয়ে পড়ে। 

বঙ্গবন্ধুর ভাষনের সেই প্রতিক্রিয়া এমন রূপ নেয় যে স্বামী স্ত্রীর কথা শুনে নাই, ছেলে বাপের কথা শুনে নাই, ছাত্র শিক্ষকের কথা শুনে নাই, মুসল্লী ইমামের কথা শুনে নাই, মুরীদ পীরের কথা শুনে নাই, শ্রমিক মালিকের কথা শুনে নাই, জামাই শ্বশুরের কথা শুনে নাই। এক কথায় এক ভাষনে সমাজ পরিবর্তন হয়ে যায়। জাতি সিদ্ধান্ত নেয় যে, স্বাধীনতা আনবো না হয় মরবো। এই মন্ত্রে উদ্ভুদ্ধ হয়ে লড়াইতে অবতীর্ণ হয়। 

অবশেষে ১৬ ই ডিসেম্বর স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়। তারপর ১৫ আগষ্টের মর্মান্তিক ট্রাজেডি'র পরে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্যা কন্যা বঙ্গরত্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালী জাতি আলোর দিশা পায় এবং আজ বাংলাদেশ সর্বক্ষেত্রে এশিয়ার অন্যতম পরাশক্তি'তে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। এটাই শেখ হাসিনার কারিশমা। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবসে অসংখ্য শহীদের আত্মাহুতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই ও তাদের নাজাত কামনা করি।  
জয় বাংলা 
জয় বঙ্গবন্ধু

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক : Khondokar Golam Maula Nokshbondi
লেখক : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য

পাঠকের মন্তব্য