মাতৃ মৃত্যুর হার এসডিজি অর্জণের একটি বড় চ্যালেঞ্জ 

মাতৃ মৃত্যুর হার এসডিজি অর্জণের একটি বড় চ্যালেঞ্জ 

মাতৃ মৃত্যুর হার এসডিজি অর্জণের একটি বড় চ্যালেঞ্জ 

এসডিজি অর্জণে গর্ভবতী মায়ের মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলেও করোনা মহামারিতে তা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। করোনাকালে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানে প্রসব-পূর্ব সেবা কম নেয়ার করণে এসময়ে মাতৃ মৃত্যু হার ১৭ শতাংশ। এতে এসডিজি স্থায়ী করণ একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে প্রসব-পূর্ব ন্যুনতম চারবার সেবা নেওয়ার হার ছিল এক-চতুর্থাংশের কম।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে সারাদেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৬৭ জন মায়ের প্রসবকালীন মৃত্যু হলেও করোনাকালীন ২০২০ সালে ১ হাজার ১৩৩ জন মায়ের মৃত্যু হয়। যা ২০১৯ সালের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা ১৬৬ জন বেশি। এদিকে চলতি ২০২১ সালের জানুয়ারী থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৪৮২ জন মায়ের। এর মধ্যে গত বছরের জানুয়ারী থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত মাতৃমৃত্যুর যতঘটনা ঘটেছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ২২৮ জন মা মৃত্যু বরণ করেছেন।

একই সময় প্রসব পূর্ব প্রথমবার সেবা নিতে যাওয়া মায়েদের হার ছিল ২৬ শতাংশ কম। এছাড়াও  দ্বিতীয় বার ২৫ শতাংশ, তৃতীয় বার ২৬ শতাংশ এবং চতুর্থবার ছিল ২৪ শতাংশ কম। তবে নীলফামারী জেলার চিত্র অনেকটা ভিন্ন নীলফামারী জেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের কয়েকটি কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি’র সাথে (কমিউনিটি হেলথ্ প্রভাইডার) কথা হলে তারা জানান, প্রসবকালীন জটিলতা এড়ানো এবং মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় অভিভাকরা আগের তুলনায় অনেকটা সচেতন হওয়ায় অনেকেই ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকে, কেউ  কেউ আবার  উপজেলা এবং জেলা হাসপাতালে গিয়ে  প্রসব-পূর্ব স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণ করে নিরাপদে সন্তান প্রসবের সেবা নিচ্ছেন। এতে করে মা ও শিশুর মৃত্যুর হার দিন দিন কমে আসছে।

জেলার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পলাশ কুমার সিং বলেন,‘আগে গর্ভবতি মায়েরা কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রসব পূর্ব সেবা নিতে কম আসলেও করোনাকালীন সময়ে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রসবকালীণ জটিলতা এড়ানো এবং মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় অভিভাকরা আগের তুলনায় অনেকটা সচেতন হওয়ায় গর্ভবতি মায়েদের ইউনিয়নের কমিউনিটি ক্লিনিকে নিয়ে এসে স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে যাচ্ছেন। এতে করে গর্ভে থাকা সন্তান ও মা দু’জনেই নিরাপদে থাকছেন।’

নীলফামারী জেলা সদরের চওড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কিছামত দলুয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএসসিপি সীমা রাণী রায় বলেন,‘আগে সন্তান প্রসব বাড়িতেই বেশি করানো হতো। এখন তা হ্রাস পেয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মীরা গর্ভবতি মা এবং তাদের বাড়িতে অভিভাকদের কাছে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের সচেতনসতামূলক প্রচারনা ও পরামর্শ প্রদান করায় তারা অনেক সচেতন হয়েছেন। এখন জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতাল এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন ক্লিনিক ও হাসপাতালে গিয়ে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ গর্ভবতি মা সন্তান প্রসব করছেন।’

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখনো ৫০ শতাংশ প্রসবের ঘটনা ঘটে বাড়িতে। প্রসবকালীন জটিলতা এড়ানো এবং মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এসে প্রসবের ওপর জোর দিয়ে চলতি বছরের ২৮ মে পালিত হয়েছে নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস। এবারের স্লোগান ছিল ‘করোনাকালে গর্ভকালীন সেবা নিন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যু রোধ করুন’।

করোনাকালে মাতৃমৃত্যু বাড়া ও সেবা নেওয়া কমে যাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর নীলফামারীর উপ-পরিচালক মমতাজ বেগম বলেন, করোনাকালে প্রসবকালীনসহ সব ধরনের চিকিৎসাই বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। অনেকে ভয়ে চিকিৎসা নিতে আসছে না। আবার অনেকে হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও ভর্তি হতে পারছে না। অনেক সময় সেবাদানকারীর সংকটেও পরতে হচ্ছে। ফলে বাড়িতে প্রসব হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মাতৃ মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে সারাদেশে। এতে করে মাতৃ মৃত্যু কমিয়ে আনার যে চেষ্টা, তা চ্যালেঞ্জের মুখে পরার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, সারাদেশের মাতৃ ও শিশু মৃত্যু বাড়লেও প্রভাব পড়েনি নীলফামারী জেলায়। এর কারণ; সরকারি সেবা দপ্তর গুলোর কর্মীরা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ে গিয়ে গর্ভবর্তি মা ও তাদের অভিভাকদের বিভিন্ন পরামশর্^ প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে অভিভাবকগণ উদ্বুদ্ধ হয়ে গর্ভবতি মাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসায় একজন গর্ভবতি মা নিরাপদে সন্তান প্রসব করছেন। এতে করে মা  ও নবজাতকের মৃত্যু কমছে। 

এসব বিষয়ে নীলফামারীর সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেন,‘করোনাকালে মাতৃ মৃত্যু কমিয়ে আনা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। ওই চ্যালেঞ্জ  মোকবেলায় আমরা প্রস্তুত রয়েছি। ইতো মধ্যে ইউনিয়ন থেকে শহর পর্যন্ত জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে বাড়িতে সন্তান প্রসব কমিয়ে আনা। স্বাস্থ্য কর্মীদের মাধ্যমে প্রসব-পূর্ব সেবা দিয়ে প্রসূতি মায়েদের উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে এসে সন্তান প্রসব করাতে বেশি করে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। প্রত্যেকটি ডেলিভারী যদি হাসপাতাল ও মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে করানো হয় তবেই মাতৃ মৃত্যু কমিয়ে আনা সম্ভব। নিরাপদ সন্তান প্রসবের পাশাপাশি বল্য বিবাহ রোধ করতে হবে কারণ মাতৃ মৃত্যুর পিছনে বল্য বিবাহ অরেকটি অন্যতম কারণ অল্প বয়সে সন্তান ধারন করা মায়ের মৃত্যু ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। আমাদের প্রচেষ্টা অনেকটাই সফল হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন,সারাদেশের মাতৃ ও শিশু মৃত্যু বাড়লেও নীলফামারী জেলায় এর প্রভাব অনেকটাই কম। কর্মীরা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ে গিয়ে গর্ভবর্তি মা ও তাদের অভিভাকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছেন। এতে অভিভাবকগণ উদ্বুদ্ধ হয়ে গর্ভবতি মাকে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসায় একজন গর্ভবতি মা নিরাপদে সন্তান প্রসব করছেন। এতে করে মা ও নবজাতকের মৃত্যু কমছে। আমাদের প্রতিটি স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র গুলিতে ঔষধ,সেলাইন পর্যপ্ত পরিমানে মজুদ রয়েছে এতে মা ও শিশু মৃত্যুর হার অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে। এর পাশাপাশি সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ উদ্দ্যোগে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি করে ‘মিডি ওয়াইফ’ পদ চালু ও জনবল পদায়ন করা হয়েছে যারা সন্তান প্রসবসহ মা ও শিশুর প্রসব পরবর্তি জটিলতাগুলো উত্তরনে বিশেষ ভাবে প্রশিক্ষিত যা মা ও শিশু মৃত্যু রোধে বিশেষ ভুমিকা রাখবে। 

নীলফামারী জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, ২০১৮ সালে জেলায় শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে ৫১জন ও ২০১৯ সালে ৪৪ জন এবং ২০২০ সালে  ১৬৭জন প্রসূতি মায়ের মৃত্যু হয়। অপর দিকে  ২০১৮ সালে অনুর্ধ পাঁচ বছর বয়সী ৪২৩ ও নবজাতক ৪৬৬ এবং ২০১৯ সালে অনুর্ধ পাঁচ বছর বয়সী ৩৮৪ ও নবজাতক ৩৮৮ জনের মৃত্যু হয়। 

এদিকে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নীরফামারী জেলার ১৬৯টি কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রসবপূর্ব সেবা গ্রহণ করেছেন ১৬ হাজার ৪০৪ জন গর্ভবতি মা। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৬৩ জন ও ২০১৯ সালে ৫ হাজার ৫৭৪ জন এবং ২০২০ সালে ৫ হাজার ৭৬৭ জন। সেবা গ্রহণকারী মায়েদের মধ্যে ক্লিনিকে এসে স্বাভাবিক সন্তান প্রসব করেছেন ৯৮৪জন মা। 

অপর দিকে প্রসব পরবর্তী সেবা গ্রহণ করেছেন মোট ৯ হাজার ৫৬৩ জন। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ২ হাজার ৯০২ জন ও ২০১৯ সালে ৩ হাজার ১৯০ জন এবং ২০২০সালে ৩ হাজার ৪৭১ জন।  

এদিকে দিকে জেলার ছয় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা হাসপাতালে ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত  প্রসবপূর্ব সেবা গ্রহণ করেছেন ১ লাখ ১ হাজার ২২৭জন গর্ভবতি মা। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ২৮ হাজার ৭১ জন ও ২০১৯ সালে ৩৫ হাজার ৭২১ এবং ২০২০সালে ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন। সেবা গ্রহণকারী মায়েদের মধ্যে এসব হাসপাতালে ১৬ হাজার ৯৯জন গর্ভবতি মায়ের নিরাপদে স্বাভাবিক সন্তান প্রসব ঘটানো হয়েছে। আর প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ১ হাজার ২৪০ শিশু জন্ম গ্রহণ করেন। এর মধ্যে ২০১৮ সালে ৪৮১ ও ২০১৯ সালে ৩৫৯ এবং ২০২০সালে ৪০০ শিশু জন্ম গ্রহন  করেছে।

আর প্রসব পরবর্তী সেবা গ্রহন করে ২০১৮ সালে ২৮ হাজার ৭১ জন ও ২০১৯ সালে ৩৫ হাজার ৭২১ জন এবং ২০২০সালে ৩৭ হাজার ৪৩৫ জন।
এসব হাসপাতালে সেবা নিতে এসে ২০১৮ সালে ৫ হাজার ৪৪৯ জন ও ২০১৯ সালে ৫ হাজার ৬০৩ জন এবং ২০২০সালে ৫ হাজার ৭৪ জন মা স্বাভাবিক সন্তান প্রসব করেছেন। অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে (সিজার) ২০১৮ সালে ৪৮১ জন, ২০১৯ সালে ৩৫৯ জন, ২০২০সালে ৪০০ জন শিশু জন্ম গ্রহন  করেছে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আজাহারুল ইসলাম (সার্বিক) জানান, জেলায় এসডিজি স্থায়ী করণ ও বাস্তবায়নে সার্বিকভাবে কাজ করার লক্ষে ২০১৭ সালে জেলা প্রসাশককে সভাপতি একটি জেলা কমিটি করা হয়। যে কমিটি এসডিজি বাস্তবায়নে সভা পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরগুলো পর্যবেক্ষণ করে থাকে।

নীলফামারী জেলা প্রশাসক মো. হাফিজুর রহমান চৌধুরী বলেন,‘এসডিজি স্থায়ী করণের যে সূচক রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সুস্থ্যতা ও কল্যাণ। বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশ। এ দেশের জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি, শিশু ও মাতৃমৃত্যু ছিল উন্নয়নের একটি বড় অন্তরায়। কিন্তু সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও এ ক্ষেত্রে নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মীদের ঐকান্তিক শ্রমে সমাধান হচ্ছে এই সমস্যার। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানো, টিকাদানে অভূতপূর্ব অর্জন সবই বর্তমান সরকারের ও জনগণের কৃতিত্ব। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ যেসব সূচকে পিছিয়ে ছিল, ২০১০ সালের পর তা অনেকখানি এগিয়েছে।

সহ্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বর্তমান সরকারের অন্যতম সাফল্য হচ্ছে মা ও শিশুমৃতুর হার কমিয়ে আনা। শিশুমৃত্যুর হার কমানোর অর্জনে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২১ সেপ্টেম্বর ২০১০ জাতিসংঘ পুরস্কার লাভ করেন। মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমিয়ে আনা এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ এই সরকারের সাফল্যের মুকুটে অন্যতম পালক। 

তিনি বলেন,‘নীলফামারী জেলায় মাতৃ ও শিশু মৃত্যু কমিয়ে আনতে হলে গর্ভবতি মা এবং তাদের অভিভাবকদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। সেই সাথে সরকারি স্বাস্থ্য সেবা দপ্তরসহ স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত সেবাদানকারী উন্নয়ন সংস্থা গুলোকে আরো বেশি করে মানুষের মাঝে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। যাতে প্রতিটি গর্ভবতি মা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রে গিয়ে তাদের প্রসূতি সেবা নেন। এতে যেমন মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হার কমবে, তেমনি করে সরকারের এসডিজি স্থায়ী করণ ও বাস্তবায়ন ঘটবে।’

সম্প্রতি জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্কের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বিশ্বের যে তিনটি দেশ সবচেয়ে এগিয়ে আছে, তার মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

এসডিজি অর্জনে এগিয়ে থাকা বাকি দুটি দেশ হলো আফগানিস্তান ও আইভরি কোস্ট। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ মহামারির কারণে এসব উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য