করোনাভাইরাসে একদিনে ঠাকুরগাঁওয়ে রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু

করোনাভাইরাসে একদিনে ঠাকুরগাঁওয়ে রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু

করোনাভাইরাসে একদিনে ঠাকুরগাঁওয়ে রেকর্ড সংখ্যক মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে; এ জেলার একদিনে মৃত্যুর রেকর্ড এটি। রোববার বিকেলে এ তথ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের সিভিল সার্জন ডা. মাহফুজার রহমান সরকার বলেন, এছাড়া একদিনে নতুন আক্রান্ত হয়েছে ১২০ জন।

মৃতদের মধ্যে দুজন রানীশংকৈল উপজেলার ৬৬ ও ৭০ বছর বয়সী, সদর উপজেলায় ৮০ বছর বয়সী, পীরগঞ্জের ৪৮ বছর বয়সী এবং বালিয়াডাঙ্গীর ৩৫ বছর বয়সী এক পুরুষ। এর আগে গত ১১ জুন ঠাকুরগাঁও জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে ৭২ জনের মৃত্যু হল, আক্রান্তের বিপরীতে 'মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৪২ শতাংশ'।

সিভিল সার্জন মাহফুজার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে সদর, পৌরসভা ও বালিয়াডাঙ্গীতে সংক্রমণের মাত্রা সব থেকে বেশি। এখানকার কমিউনিটিতে করোনাভাইরাস ঢুকে পড়েছে।

তিনি জানান, গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার ৮টা পর্যন্ত জেলায় ২৬৫টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ১২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। যা শনাক্তের হার ৪৫ দশমিক ২৮ শতাংশ।

নমুনাগুলো দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব, ঠাকুরগাঁওয়ের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের জিন এক্সপার্ট পরীক্ষা এবং সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলো থেকে পাওয়া অ্যান্টিজেন পরীক্ষার প্রতিবেদন সমন্বয় করে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১২০ জনে দাঁড়ায়।
এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৫৬ জন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ২৪, রানীশংকৈল উপজেলায় ১৭ জন, হরিপুর উপজেলায় ১৪ ও পীরগঞ্জ উপজেলায় ৯ জন।

এদিকে সংক্রমণ রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় এবারের লকডাউনের চতুর্থ দিন চলছে। জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। তবে মানুষজনকে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাচল করতে দেখা গেছে।

ঠাকুরগাঁও জেলায় এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৮৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ হাজার ৯৬৯ জনের করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের গড় হার দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। হয়েছে ১২০ জন।

মৃতদের মধ্যে দুজন রানীশংকৈল উপজেলার ৬৬ ও ৭০ বছর বয়সী, সদর উপজেলায় ৮০ বছর বয়সী, পীরগঞ্জের ৪৮ বছর বয়সী এবং বালিয়াডাঙ্গীর ৩৫ বছর বয়সী এক পুরুষ। এর আগে গত ১১ জুন ঠাকুরগাঁও জেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। এ নিয়ে জেলায় করোনাভাইরাসে ৭২ জনের মৃত্যু হল, আক্রান্তের বিপরীতে 'মৃত্যুর হার ২ দশমিক ৪২ শতাংশ'।

সিভিল সার্জন মাহফুজার বলেন, ঠাকুরগাঁও জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু দিন দিন বাড়ছে। এর মধ্যে সদর, পৌরসভা ও বালিয়াডাঙ্গীতে সংক্রমণের মাত্রা সব থেকে বেশি। এখানকার কমিউনিটিতে করোনাভাইরাস ঢুকে পড়েছে।

তিনি জানান, গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার ৮টা পর্যন্ত জেলায় ২৬৫টি নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ১২০ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। যা শনাক্তের হার ৪৫ দশমিক ২৮ শতাংশ।

নমুনাগুলো দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাব, ঠাকুরগাঁওয়ের বক্ষব্যাধি হাসপাতালের জিন এক্সপার্ট পরীক্ষা এবং সদর হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলো থেকে পাওয়া অ্যান্টিজেন পরীক্ষার প্রতিবেদন সমন্বয় করে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১২০ জনে দাঁড়ায়। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ৫৬ জন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ২৪, রানীশংকৈল উপজেলায় ১৭ জন, হরিপুর উপজেলায় ১৪ ও পীরগঞ্জ উপজেলায় ৯ জন।

এদিকে সংক্রমণ রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় এবারের লকডাউনের চতুর্থ দিন চলছে। জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। তবে মানুষজনকে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলাচল করতে দেখা গেছে।

ঠাকুরগাঁও জেলায় এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ৮৬৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ হাজার ৯৬৯ জনের করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের গড় হার দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

পাঠকের মন্তব্য