লকডাউন ঢিলেঢালা নীলফামারীতে বাড়ছে করোনা শনাক্তের হার 

লকডাউন ঢিলেঢালা নীলফামারীতে বাড়ছে করোনা শনাক্তের হার 

লকডাউন ঢিলেঢালা নীলফামারীতে বাড়ছে করোনা শনাক্তের হার 

নীলফামারীতে লকডাউনের প্রথমদিন ঢিলেঢালাভাবে অতিবাহিত হয়েছে। সোমবার যাত্রিবাহি বাস বন্ধ থাকলেও বিনা বাধায় জেলায় চলাচল করেছে মোটারসাইকেল, বিকশা, ইজিবাইক, থ্রিহুইলারসহ বিভিন্ন যানবাহন। এসব পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা একবারেই কম। অপরদিকে সীমিত আকারে হলেও (একটি সাটার খুলে) জেলা শহরের বেশীরভাগ দোকানে বেচা-কেনা হয়েছে। বিভিন্ন যানবাহন এবং শহরে চলাচলকারী বেশীরভাগ মানুষকে মাস্কবিহীন দেখা গেছে।

স্বাস্থ্যবিধি না মানার এমন প্রবণতায় জেলায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। সোমবার ২৪ ঘণ্টায় ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এতে জেলায় শনাক্তের হার ২৫ শতাংশ। শুরু থেকে এ পর্যন্ত জেলায় এটিই সর্বোচ্চ শনাক্তের হারের কথা জানায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।

সোমবার সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির জানান, গত ২৪ ঘন্টায় জেনারেল হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র‌্যাপিড এ্যান্টিজেন টেস্ট ও দিনাজপুর এবং রংপুর পিসিআর ল্যাবে ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হয়ে জেলায় চিকিৎসাধীন আছেন ১৩৬জন। এরমধ্যে নীলফামারী সদরে ৫১, ডোমারে ১২জন, ডিমলায় ৯জন, জলঢাকায় ২৪ জন, কিশোরগঞ্জে ৬জন, সৈয়দপুরে ২২জন এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১২ জন চিকিৎসাধীন আছেন। জেলায় এ পর্যন্ত এক হাজার ৭৯৮ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছন। এরমধ্যে এক হাজার ৬২৭ জন সুস্থ্য হয়েছেন ও এপর্যন্ত জেলায় ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৯ জন ও সৈয়দপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ রোগী ভর্তি আছেন। অন্যরা নিজবাড়ীতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 

তিনি বলেন,‘বারবার সতর্ক করা সত্বেও মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় এখন প্রত্যন্ত  গ্রামে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেছে। গত রবিবার সংক্রমণের হার ছিল ২৩ শতাংশ। এক দিনেই শনাক্তের হার আরও ২ শতাংশ বেড়ে ২৫ শতাংশ হয়েছে’।

এবিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার বলেন,‘লকডাউনের প্রথম দিনে সচেতনতা কার্যক্রমের পাশপাশি একাধিক মোবাইল কোট মাঠে কাজ করেছে। যারা স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে চলাফেরা করছেন তাদেরকে জরিমানা করা হচ্ছে’।

পাঠকের মন্তব্য