সাংবাদিক হেনেস্তা; লঘুদন্ড পেলেন কুড়িগ্রামের সেই ডিসি 

সাংবাদিক হেনেস্তা; লঘুদন্ড পেলেন কুড়িগ্রামের সেই ডিসি 

সাংবাদিক হেনেস্তা; লঘুদন্ড পেলেন কুড়িগ্রামের সেই ডিসি 

মধ্যরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে কুড়িগ্রামে শিখক-সাংবাদিক আটকের ঘটনায় তৎকালীন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা: সুলতানা পারভিনকে দুই বছরের জন্য বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) স্থগিত করে লঘুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

এর ফলে মধ্যরাতে সাংবাদিক হেনেস্তার ঘটনায় অভিযুক্ত সবার বিভাগীয় বিচার প্রায় শেষ হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী সুলতানা পারভীন সরকারী একটি পুকুর সরকারী অর্থে সংস্কার করে তার নিজের নামে ‘সুলতানা সরোবর’ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। যা নিয়ে কাবিখার টাকায় পুকুর সংস্কার করে ডিসির নামে নামকরণ শিরোনামে বাংলা ট্রিবিউনে প্রতিবেদন করেছিলেন নিউজ পোর্টালটির কুড়িগ্রামের প্রতিনিধি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক আরিফুল ইসলাম।

এছাড়াও জেলায় তার নানা অনিয়ম নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছিলেন ওই সাংবাদিক। এসব কারণে ডিসি তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে সাজা দিয়ে তাকে জেলে পাঠান। সাংবাদিকদের কাছে এমনটাই অভিযোগ করেছেন কুড়িগ্রামের প্রতিনিধি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক আরিফুল ইসলাম। 

গতকাল বৃহস্পতিবার শিক্ষক-সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘এটা বিচারের নামে প্রহসন। ভুক্তভোগী হিসেবে আমি জানি সুলতানা পারভীনের ব্যক্তিগত আক্রোশে এবং তারই সরাসরি নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে আমাকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসানোর অপচেষ্টা হয়েছে এবং আমাকে পাশবিক নির্যাতন করে বিনা অপরাধে জেল খাটানো হয়েছে। এরপরও তার নামমাত্র শাস্তি পাওয়ার অর্থ হলো ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হয়েছে। এখানে যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে প্রভাবিত হয়েছে তা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার। একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া তার অধস্তন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অভিযান পরিচালনা করতে পারেন না।

গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম বলেন, এটা বিচারের নামে প্রহসন। ভুক্তভোগী হিসেবে আমি জানি সুলতানা পারভীনের ব্যক্তিগত আক্রোশে এবং তারই সরাসরি নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে আমাকে মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানোর অপচেষ্টা হয়েছে এবং আমাকে পাশবিক নির্যাতন করে বিনা অপরাধে জেল খাটানো হয়েছে। এরপরও তার নামমাত্র শাস্তি পাওয়ার অর্থ হলো ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হয়েছে। এখানে যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে প্রভাবিত হয়েছে তা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার। একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া তার অধস্তন তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোন অভিযান পরিচালনা করতে পারেন না। 

পাঠকের মন্তব্য