বরিশালে সাংবাদিকের উপর ইউপি সদস্যের হামলা; পাশে ইউএনও

বরিশালে সাংবাদিকের উপর ইউপি সদস্যের হামলা; পাশে ইউএনও

বরিশালে সাংবাদিকের উপর ইউপি সদস্যের হামলা; পাশে ইউএনও

ডাকাতি মামলার আসামীকে গ্রেফতার সংক্রান্ত নিউজ করায় গতকাল (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে বরিশালের গৌরনদীর সাংবাদিক সুমন তালুকদারের উপর হামলা চালিয়েছে ইউপি সদস্য মিলন হাওলাদার ও তার বাহিনীরা। হামলাকারী মিলন হাওলাদার উপজেলার চাঁদশী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। এ বিষয়ে সুমন তালুকদার নিজে বাদী হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

হামলার শিকার আহত সাংবাদিক সুমন তালুকদারের পাশে দাড়িয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস। আজ দুপুরে উপজেলা স্ব্যাস্থ কমপ্লেক্সে সাংবাদিক সুমন তালুকদারকে দেখতে যান তিনি।
 
নির্বাহী অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, সাংবাদিকরা হলো জাতীর বিবেক। সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠু লিখনির মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অপরাধ অনিয়ম সাধারন জনগন জানতে পারে। তাই এই হামালার সুষ্ঠু বিচার না হলে হামলা কারিরা পার পেয়ে যাবে।

আহত সুমনের স্বজনরা জানান, গত ১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে উপজেলার টরকী বন্দরের দোকনদার ও পাহারাদারদের বেধেরেখে এক যোগে ১৪টি দোকানে গনডাকাতি চালায় একটি ডাকাত দল। পরবর্তীতে এ বিষয়ে মামলা হওয়াতে সুন্দরদী এলাকার রতন প্যাদার পুত্র রাসেল প্যাদাকে গ্রেফতার করে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ। 

টরকী বন্দরের এই আলোচিত ডাকাতি মামলার আসামী রাসেল প্যাদ্যাকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিউজ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে অর্তকিতভাবে হামলা চালায় উপজেলার চাঁদশী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মিলন হাওলাদার।

সুমন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, আমি মডেল থানার এজাহার অনুযায়ী টরকী বন্দরের ডাকাতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া আসামীর বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় টরকী বাসস্ট্যান্ডে বসে কেন আমি রাসেল প্যাদার নামে ডাকাতির নিউজ প্রকাশ করেছি এই নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতে থাকে ইউপি সদস্য মিলন হাওলাদার। এবং আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে (মিলন হাওলাদার) ও তার সাথে থাকা লোকজন আমাকে কিল গুষি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে আমাকে মারতে মারতে একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে আমি জ্ঞান ফিরে দেখি আমি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি।

এ বিষয় মিলন হাওলাদার সাংবাদিকদের বলেন, সুমনের সাথে আমার তেমন কিছু হয়নি। তবে সুমন আমাকে গালিগালাজ করছে পরে তাকে আমি ধাক্কা দিয়ে তাকে সরিয়ে দেই।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আফজাল হোসেন জানান,এ বিষয়ে তদন্ত চলছে ঘটনার সত্যতা পেলে মামলা নেয়া হবে।

পাঠকের মন্তব্য