দেশের রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে হয়রানী বন্ধের দাবী

দেশের রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে হয়রানী বন্ধের দাবী

দেশের রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে হয়রানী বন্ধের দাবী

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ রবিবার সকাল ১১ টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মানব পাচারের মামলায় হয়রানির শিকারের প্রতিবাদে এবং মানব পাচার আইন সংশোধনের দাবীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বায়রার সাধারন সদস্যদের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে মুল বক্তব্য উপস্থাপন করেন মানব পাচার আইনের ভুক্তভোগী মেসার্স গোলাম রাব্বী ইন্টারন্যাশনাল এর স্বত্ত্বাধিকারীহাজী মোঃ আকতার হোসেন এর পক্ষে উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা। বক্তব্য রাখেন রিক্রুটিং এজেন্সী ঐক্য পরিষদের সভাপতি এম. টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান, বায়রা কল্যাণ পরিষদের মহাসচিব লিমা বেগম, ইস্টল্যান্ড নেটওয়ার্কের স্বত্ত্বাধিকারী গোলাম মোস্তফা বাবুল, মাহাবুব ইন্টারন্যাশনালের আহামুদুর রহমান, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও বাস্তবায়ন সংস্থার পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সবুজ আন্দোলন পরিচালনা ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বাপ্পি সরদার, মরিশাস থেকে সফলভাবে দেশে ফিরে আসা প্রতিনিধিদের পক্ষ বক্তব্য রাখেন ইয়াসমিন আক্তার। উপস্থিত ছিলেন সেন্টু দত্ত, মো. লিটন, আরিফ হোসেন, আব্দুস সাত্তার, আলো বেগম, রাশেদা বেগম, জেসমিন আক্তার, রাজন সাহা। যারা রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে মরিশাসে গিয়ে আবার সফলভাবে ফিরে এসেছেন।

বক্তারা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, হাজী মো. আকতার হোসেন মরিশাসে সরকারের সকল নিয়ম-কানুন মেনে ৮/১০ হাজার নারী-পুরুষ প্রেরণ করেছেন যারা সকলেই বাংলাদেশের সুনাম অর্জন করে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণ করে অর্থনীতির চাকাকে সচল করেছে। কিন্তু একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত লালসার কারণে সেখানে অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ে এবং সেখান থেকে ফিরে এসে কাদের পরামর্শ ও ইঙ্গিতে হাজী আকতার হোসেন ও তার সঙ্গীয় ব্যক্তিদের মানব পাচার আইনে মামলা করেছে তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমরা মানবপাচার আইনের বিরোধী নই। কিন্তু যারা বৈধভাবে সরকারের সকল নিয়ম-নীতি মেনে বিদেশে লোক  প্রেরণ করে তাদেরকে যদি হয়রানি করার জন্য মানবপাচার আইনে অভিযুক্ত করা হয় আর সেই অভিযোগ তদন্ত না করে শাস্তি প্রদান করা হয় এর চেয়ে দুঃখ ও  লজ্জার আর কিছু নেই। ঘটনার তদন্তে জানা গেছে মামলাটি বর্তমানে রামপুরা থানায় তদন্ত চলছে। 

এ বিষয়ে মরিশাসের ফায়ার মাউন্ট কোম্পানীর সংশ্লিষ্টরাও আকতার হোসেনের সাথে ঐ ঘটনার কোন সম্পৃক্ততা নেই বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলে সাক্ষাত দিয়ে উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করলে দোষীদের শনাক্ত করা যাবে এবং ভবিষ্যতে আইনের ফাক ফোক দিয়ে এভাবে কেউ হয়রানির শিকার হবে না। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, প্রয়োজনবোধে সংসদে আইন পাশ করে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন। আমরা রিক্রুটিং এজেন্সীর মালিকরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ সংস্থার  মন্ত্রীর পথের দিকে চেয়ে আছি। আশা করছি তারা দ্রুত একটি কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

এছাড়াও আরো উপস্থিত থাকবেন কোম্পানীর ল উপদেষ্টা, মানবাধিকার উপদেষ্টা এবং মানব পাচার আইনের ভুক্তভোগী অনন্য রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকগণ এবং যারা সফলভাবে মেসার্স গোলাম রাব্বী ইন্টারন্যাশনাল এর মাধ্যমে মরিশাসে গিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের ফিরে আবারও ব্যবসা করছে সেই সমস্ত প্রবাসীর কিছু সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে রিক্রুটিং এজেন্সীর অর্ধশতাধিক মালিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মন্তব্য