লক্ষীপুরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রাচীর নির্মানের চেষ্টা  

লক্ষীপুরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রাচীর নির্মানের চেষ্টা  

লক্ষীপুরে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রাচীর নির্মানের চেষ্টা  

কথায় আছে "জোর যার, মুলুক তার", কিছু লোক যেন এই কথারই সত্যতা নিশ্চিত করতে চায়। ফলে অনেকের ভাগ্যের ফেরে অন্ধকার যেমন চেয়ে যায়,আবার কেউ হয় আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের ন্যায় লক্ষীপুরেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। এক পক্ষের অনেক দিনের ব্যবহৃত জমিতে বালু ভরাট করতে চায় অন্য এক পক্ষ।

ঘটনাটি ঘটে গত বুধবার। এর আগে একই জমিতে বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে অভিযোগ দাখিলের প্রেক্ষিতে উক্ত জমিতে কর্মকান্ডের সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

ঘটনার বাদি সালেহ আহমদ এবং আহছান উল্যাহর বর্ননায় জানা যায় যে, লক্ষীপুর জেলার সদর উপজেলার ৬৩ নং বাঞ্চানগর মোজায় এসএ ১৯৩৫ নং খতিয়ানভুক্ত ৩৯৮৪ দাগ এবং আর এস ১৫৪৮ নং খতিয়ানভুক্ত ৭৭৫০ দাগ অন্দরে ১০শতাংশ জমিতে সীমানা নির্ধারণ না করে পুকুরপাড় ও চলাচলের রাস্তা পারিবারিক ভাবে ব্যবহার করে আসছি।বিবাদী পক্ষ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধী জমিতে সীমানা প্রাচীর ও বালু ভরাটের কাজ করলে, কিছুদিন পূর্বে লক্ষ্মীপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মিছ ৬০৩/২১ ইং দায়ের করি।বিজ্ঞ আদালত ঐ জমিতে আপাতত নিষ্পত্তি হওয়া ব্যতীত সকল অংশীদারিত্ব হইতে উভয় পক্ষকে বিরত হওয়ার সমন জারি করে সকল কর্মকান্ড স্থগিত ঘোষনা করে।এবং উভয় পক্ষের শান্তি রক্ষার্থে জেলা পুলিশের মাধ্যমে বিরোধপূর্ন জমিতে ১৪৪-১৪৫ ধারা জারি করে।

কিন্তু গত মঙ্গলবার (১২ই অক্টোবর) সকালে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মামলার বিবাদী ইউসুফ গং তাদের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ ও বালু ভরাট করতে যায়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে হট্রগোল দেখা দেয়।
সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে বিবাদী পক্ষ ইউসুফ গং বলেন, আমাদের জায়গায় আমরা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করবো বলে, এতে তাদের এত আপত্তির কারন বুজিনা। কারও জায়গা আমরা দখল করিনি, এটা আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি।

এলাকাবাসী মনে করছে,যেহেতু আদালত এই সম্পত্তির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে,তাই নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত এই জমিতে প্রাচীর নির্মান বা বালুভরাট অবৈধ।তাই কোন কিছু করতে হলে আদালতের আদেশ প্রয়োজন।

পাঠকের মন্তব্য