রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্র তৈরীর কারখানা; আটক-৩

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় দুর্গম পাহাড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে র‍্যাব-১৫। এসময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (৮ নভেম্বর) কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবিরের এক্স-৪ ক্যাম্পের গহিন পাহাড়ে এ অভিযান পরিচালনা ১০টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

র‍্যাব-১৫ সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল' এন্ড মিডিয়া) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দীর্ঘ দিন ধরে একটি চক্র এ কারখানা তৈরি করে অস্ত্র বানিয়ে আসছিল। এখান থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়ে কারখানাটি শনাক্ত করা হয়। তারপর আজ ভোরে চার ঘণ্টার বেশি সময় গুলি বিনিময়ের পর কারখানাটি নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে পাঁচটি পিস্তল, পাঁচটি বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- কুতুপালং ক্যাম্প সি-১ জি ব্লকের মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে বাইতুল্লাহ (১৯), তার ভাই হাবিব উল্লাহ (৩২) ও একই ক্যাম্পের জি ব্লকের জাহিদ হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাছুন (২৪)।

তিনি আরও জানান, ক্যাম্পগুলোতে সন্ত্রাসীদের তৎপরতা ঠেকাতে কাজ করছে র‍্যাবের সদস্যরা। আটকদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা শেষে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য, গত দুই মাস ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে একাধিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহকে হত্যার পর ক্যাম্পগুলোতে এক ধরনের ভীতি ছড়িয়ে পরেছে। রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী সংগঠনগুলো আধিপত্য বিস্তারের জন্য সশস্ত্র হামলা, হত্যা ও ডাকাতির মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে।

পাঠকের মন্তব্য