ব্রহ্মপুত্র নদে ব্রীজের নির্মানের সাম্ভব্য স্থান পরিদর্শন

ব্রহ্মপুত্র নদে ব্রীজের নির্মানের সাম্ভব্য স্থান পরিদর্শন

ব্রহ্মপুত্র নদে ব্রীজের নির্মানের সাম্ভব্য স্থান পরিদর্শন

রৌমারী, রাজিবপুর উপজেলার সাথে জেলা সদরের সংযোগ ও উত্তরের ৭ জেলার সাথে রাজধানী ঢাকার দুরুত্ব কমাতে ব্রম্মপুত্র নদে সেতু নির্মানের সাম্ভব্য স্থান পরির্দশন করা হয়েছে।

৭ নভেম্বর সকাল ১১ টার দিকে রৌমারী উপজেলার ফলুয়ারচর থেকে চিলমারী উপজেলার রমনা ঘাট, বনগ্রাম ঘাট, উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের হবিগঞ্জ ঘাট এলাকা পর্যন্ত এলাকা পরিদর্শন করেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

এসময় তার সাথে ছিলেন, প্লানিং এন্ড ডেভলোপমেন্ট বাংলাদেশ ব্রীজ অথরিটির পরিচালক, ড. মনিরুজ্জামান (পিএনডি), বিবিএ মাষ্টার প্লান্ট প্রজেক্টের প্রজেক্ট ডিরেক্টর লিয়াকত হোসেন, বাংলাদেশ ব্রীজ অথরিটির ডেপুটি সেক্রেটারী মো. আবুল হাসান, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্যাহ, রৌমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) তানভীর ইসলাম, রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোন্তাছের বিল্লাহসহ আরও অনেকে।

পরির্দশন শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহা সড়কে আছি আমরা। আমাদের অনেক গুলো মেগা প্রকল্প হচ্ছে। মেগা প্রকল্পের এখন আর জায়গা নেই একারণেই আমি ব্রহ্মপুত্র নদে ব্রীজ নির্মানের জন্য মহান সংসদে দাবি তুলেছি। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি এবং আমি সেতু মন্ত্রনালয়ে একটি ডিও লিটার প্রেরণ করেছিলাম যার প্রেক্ষিতে ওনার এখানে এসে ছিলেন, আমরা ঘুরে ঘুরে দেখালাম, এটা খুব একটা বড় বিষয় নয়, ব্রীজ নির্মান হবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও বলেন, এখানে কেন ব্রীজ নির্মান হবে। একারনেই হবে রৌমারী ছিল মুক্তিযুদ্ধের মুক্তাঞ্চল, এখান থেকে ৭০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশ স্বাধিন করেছেন। দেশের স্বাধিনতার সাথে আমাদের একটা সর্ম্পক আছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার এখন ক্ষমতায় এখন উন্নয়ন না হলে আর কবে হবে।

ব্রীজটি নির্মাণ হলে রংপুর, ঠাকুরগাও, পঞ্চগড়, দিনাজপুর, নিলফামারী, লালমনির হাট, কুড়িগ্রাম মানুষের সাথে ঢাকা তথা দেশের দাক্ষিণাঞ্চরের সাথে যোগাযোগের সময় কমে আসবে। পণ্য পরিবহন সহজলভ্য হবে, বঙ্গবন্ধুর সেতুর উপর চাপ কমবে। এছাড়াও ভারতের আসাম মেঘালয়ের সাথে পশ্চিমবঙ্গের টানজিট রুট হিসাবে ব্যবহার করতে পারবে।

পাঠকের মন্তব্য