আধুনিকায়ন করা হচ্ছে জামালপুর পৌর কবরস্থান

আধুনিকায়ন করা হচ্ছে জামালপুর পৌর কবরস্থান

আধুনিকায়ন করা হচ্ছে জামালপুর পৌর কবরস্থান

দেড়শ বছরের অধিক পুরনো জেলার সর্ববৃহৎ করবস্থান জামালপুর পৌর কবরস্থান। এই কবরস্থানে পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ড ছাড়াও আশপাশের এলাকার মরদেহ কবরস্থ করা হয়। পুরনো এই কবরস্থান উঁচু করাসহ আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন জামালপুর পৌরসভার মানবিক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু। 

জানা গেছে, শহরের নিচু এলাকায় অবস্থিত জামালপুর পৌর কবরস্থান। বর্ষার সময় কবরস্থান ডুবে থাকে হাটু পানির নিচে। এ ছাড়াও প্রায় সারা বছরই কবর খুড়ার পর নিচ থেকে পানি উঠে। কবর খুড়ার পর প্রিয়জনদের মরদেহ পানিতেই দাফন করতে বাধ্য হোন। শেষ যাত্রায় প্রিয়জনদের এমন দুরবস্থা দেখে অনেকেই মনোকষ্ট ও চরম ক্ষোভ নিয়ে বাড়িতে ফিরেন। 

পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো, জামালপুর পৌর কবরস্থানে মাটি ভরাটের মাধ্যমে উঁচু করা, কবরস্থান মসজিদ উন্নয়ন, মৃতদেহ ধোয়ানোর ঘর, জানাযার জন্য শেড ঘর নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর, প্রাচীরের উপর কাটাতারের বেড়া, কবরস্থানের ভেতরে  হাত ধোয়া ও অযুখানার উন্নত ব্যবস্থা, ভেতরে রাস্তাগুলোর উন্নয়ন, উন্নত লাইটিং, সিসি ক্যামেরা লাগানো এবং ফুলের বাগানসহ আধুনিকায়নের নানা কাজ করা।

কবরস্থান উঁচু করাসহ আধুনিকায়ন কাজ শুরুর আগে জামালপুর পৌরসভা নোটিশ দিয়েছে। পৌরসভার মেয়রের পক্ষে শহরে মাইকিং করা হয়েছে। 

মাইকিং এ বলা হয়, পৌরসভার বনপাড়া পৌর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে ৫ ফুট উচ্চতায় মাটি ভরাট করা হবে। কেন্দ্রীয় কবরস্থানে যাদের আত্মীয় স্বজনের কবর রয়েছে, তাদেরকে নিজ নিজ দায়িত্বে কবরগুলো চিহ্নিত করার অনুরোধ করা হয়েছে।

জামালপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু জানান, খুব অল্প সময়ের মধ্যে পৌর কবরস্থানের মাটি ভরাটসহ নানা উন্নয়ন কাজ শুরু হবে। যাদের কবরে নাম ফলক আছে তা সবগুলো সরিয়ে নেওয়া হবে। এর আগে সকলকে কবরগুলো চিহ্নিত করতে অনুরোধ করেছেন। মাটি ভরাটের পর আবার সেই নাম ফলক লাগানো যাবে।

দেড়শ বছরের পুরনো এই কবরস্থান উন্নয়ন ও সৌন্দর্য বর্ধনে উদ্যোগ গ্রহন করায় মানবিক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানুর প্রশংসা করেন।

পাঠকের মন্তব্য