রায়পুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাক্তারের কাছে সাংবাদিক লাঞ্ছিত 

রায়পুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাক্তারের কাছে সাংবাদিক লাঞ্ছিত 

রায়পুরে সংবাদ সংগ্রহকালে ডাক্তারের কাছে সাংবাদিক লাঞ্ছিত 

পৃথিবী ব্যাপি চলছে নানা সমস্যা। প্রতিনিয়ত সে সমস্যাকে সঙ্গী করেই দিনাতিপাত করতে হচ্ছে অনেক মানুষকে। প্রাকৃতিক সে সমস্যা সমাধানে হিমশিম খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।এরই মাঝে যদি আসে মানব সৃষ্ট কৃত্রিম সমস্যা, তাহলে বুজতে হবে মানবিকতা হারাতে বসেছে।

এরকমই নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে দেশের ক্রান্তিকাল পার করছে সারা বিশ্ব,একইসাথে আমাদের দেশও। এরই মাঝে ঘটছে কিছু মানব সৃষ্ট অপ্রীতিকর ঘটনা,যার কারনে সৃষ্টি হচ্ছে জনমনে ক্ষোভ আর বাড়ছে বিড়ম্বনা।

এমনি এক অযাচিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এতদিন ধরে সংগঠিত হতে থাকা ধারাবাহিকভাবে নানা অনিয়ম, অভিযোগ আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত হর্তাকর্তাদের বিপক্ষে।নতুন মাত্রায় এসবের তোয়াক্কা না করেই টিকাদান কর্মসূচি ও বহিরাগত ডাক্তার এনে সিজারসহ রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে সেবাদান। জনসাধারনের অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা সেখানে যায় সংবাদ সংগ্রহ করতে। সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে অভিযুক্তদের কবলে পড়ে হেনস্থার শিকার হতে হয় সাংবাদিকদের!

গতকাল সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে একজন প্রসূতির সাথে এমন অনিয়মের খবরের ভিত্তিতে রায়পুর উপজেলার কয়েকজন সাংবাদিক সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে যায় ৫০ শয্যা বিশিষ্ট রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। সেখানে গিয়ে দেখা যায় রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ মোবারক হোসেন কারো অনুমতি না নিয়েই নিজের স্ত্রী (বহিরাগত ডাক্তার) ও বহিরাগত কামাল (সহযোগী) নামে দু-তিনজনকে নিয়ে গর্ভবতী রোগীদের সিজার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে সেই ডাক্তারের নিকট জানতে চাইলে সে সাংবাদিকদের সন্ত্রাসী বলে হুমকি প্রদানসহ ক্যামেরা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় সাংবাদিকদের ওটির সামনে থেকে তাড়িয়ে দেয়।এসময় ডাঃমোবারক ও সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিক এর মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাকির হোসেন ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বাহারুল আলমের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, আমরা বসে বিষয়টি সমাধান করে দেব। সংবাদ প্রচারের প্রয়োজন নেই।

উল্লেখ থাকে যে, যোগদানের পর হতেই ডাঃ মোবারক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসা রোগী ও স্বজনদের কারনে অকারণে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং হাসপাতালকে নিজের সম্পদ বলে অহংকার করে। জাতির বিবেক সাংবাদিকদেরও শেষ পর্যন্ত তার মুখের ভাষন শুনালেন।উপজেলার সর্বসাধারণ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান।

পাঠকের মন্তব্য